কমলার খোসার ১১টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
সূচিপত্রঃ কমলার খোসার যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
কমলার খোসার উপকারিতা ও অপকারিতা
কমলার খোসার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কমলার খোসার যাবতীয় ভালো দিকগুলো এবং খারাপ দিকগুলো আপনাদের সামনে আলোচনা করার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
কমলার খোসার উপকারিতা গুলোঃ
- আমাদের অনেকে হজম শক্তির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা প্রতিরোধ করার জন্য কমলার খোসাকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনারা যদি কমলার খোসা গুড়া করে নিয়ে তা চায়ের সাথে অথবা পানির সাথে মিস করে খেতে পারেন। তাহলে আপনাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি পাবে।
- কমলার খোসায় ভিটামিন সি থাকে। আপনারা ভালোভাবেেই জানেন ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করে থাকে। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কমলার খোসা খাওয়া যেতে পারে। কমলা যেমন উপকারী ঠিক তেমনি এর খোসাও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
- কমলার খোসার যে তেল তৈরি হয় তাতে এন্টি ম্যাক্রোবিয়াল এবং এন্টি ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।যার কারণে এটি খাওয়ার ফলে এসিডিটি সমস্যা দূর হয়ে যায়। সেজন্য আপনারা এর তেল পানিতে দুই ফোটা মতো দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। এতে করে এসিডিটির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
- এছাড়াও যারা কাশির সমস্যায় রয়েছেন। তারা চাইলে কমলার খোসার গুঁড়া খেতে পারেন। এটি কাশির সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখে। এমনকি এই গুঁড়া এজমা অথবা শ্বাসকষ্টের সমস্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের এ ধরনের সমস্যা গুলো হবে। তারা কমলার খোসার গুঁড়া খেতে পারেন।
- যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে। তারা চাইলে কমলার খোসাকে ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য আপনারা গোসল করার সময় কমলার খোসার পানি দিয়ে গোসল করবেন। এছাড়াও আপনারা চাইলে গোসল করার পানির সাথে এই খোসার তেল মিস করে দিতে পারেন। তাহলে ঘুমের সমস্যা দূর হবে।
- যাদের ওজনের সমস্যা রয়েছে। তারা চাইলে কমলার খোসা খেতে পারেন। কেননা এটি ফাইবার সমৃদ্ধ। যার কারণে এটি খাওয়ার ফলে হজম শক্তি অনেক উন্নত হয়। একই সঙ্গে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পেয়ে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।
- আপনারা চাইলে কমলার খোসাকে ব্যবহার করে ঘর বাড়ি পরিষ্কার করতে পারেন। কেননা এতে করে ঘরবাড়িতে একটা ভালো গন্ধ পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে এটি ঘরবাড়ির জীবাণু দূর করার জন্য ভূমিকা পালন করে থাকবে। তাই ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে কমলার খোসাকে ব্যবহার করতে পারেন।
- আমরা সাধারণত চিনি কোন কিছুতে রাখলে তা জমাট বেঁধে যায়। যা সমস্যা তৈরি করে। এই সমস্যা প্রতিরোধ করার জন্য আপনারা চিনি যাতে রাখবেন। সেখানে কমলার খোসা রেখে দিতে পারেন। এতে করে চিনি জমাট বাঁধা বন্ধ হবে।
- ঘরের পোকামাকড় দূর করার জন্য কমলার খোসাকে ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য আপনারা পোকার বাসার আশেপাশে কমলার খোসা রেখে দিবেন। এতে করে ঘরের পোকামাকড় দূর হয়ে যাবে। তাই পোকার সমস্যায় কমলার খোসাকে এভাবে ব্যবহার করতে পারেন।
- কমলার খোসাকে ভালোভাবে শুকিয়ে নিয়ে গুঁড়া করে নিতে হবে। এরপর এই গুঁড়া বাথরুম অথবা রান্নাঘরের আশেপাশে ভালোভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে। এটি করার ফলে খুব সুন্দর সুগন্ধ পাওয়া যাবে। তাই রান্নাঘর এবং বাথরুমের আশেপাশে সুগন্ধ পাওয়ার জন্য কমলার খোসাকে আপনারা এভাবে ব্যবহার করতে পারেন।
- যাদের দাঁতে হলদে ভাব পড়েছে। তারা চাইলে কমলার খোসা ব্যবহার করে এই হলুদ ভাব দূর করতে পারেন। এজন্য আপনারা কমলার খোসার গুঁড়া নিয়ে দাঁত পরিষ্কার করার চেষ্টা করবেন। দাঁতের হলদে ভাব দূর করার পাশাপাশি এটি মাড়িকে মজবুত করে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
কমলার খোসার অপকারিতা গুলোঃ
- কমলার খোসা অতিরিক্ত ব্যবহার করা ঠিক নয়। কেননা এতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড। যার কারণে এটি যদি আপনারা অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। তাহলে আপনাদের পেটের সমস্যা, গ্যাস, অম্লতা ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এটিকে প্রয়োজনমতো খাওয়ার চেষ্টা করুন। তাহলে এর উপকারিতা পাবেন।
- কমলার খোসার ব্যবহারে কারো কারো ক্ষেত্রে এলার্জির সমস্যা তৈরি হতে পারে। আর এলার্জির সমস্যা তৈরি হলে চুলকানি, ফুসকুড়ি ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই যাদের এটি ব্যবহারে এলার্জির সমস্যা তৈরি হবে। তারা এটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। এছাড়াও আপনারা যদি এই খোসা গুঁড়া না করে সরাসরি ভক্ষণ করার চেষ্টা করেন। তাহলে তা সহজে হজম হবে না। এর ফলে এসিডিটির সমস্যা হতে পারে।
কমলার খোসা দিয়ে ত্বকের যত্ন
কমলার খোসা দিয়ে ত্বকের যত্ন সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কমলার খোসা ব্যবহার করে কিভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া যেতে পারে তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।
- প্রথমে আপনাদের কমলার খোসার গুড়া নিতে হবে। এর পরিমাণ হবে আধা চামচ। এরপর নিতে হবে এক চামচ এলোভেরা জেল। এরপর দুইটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করে দেয়ার পর আপনার ত্বকে লাগিয়ে দিবেন। এভাবে লাগিয়ে রেখে ১৫ মিনিট পর্যন্ত রেখে দিবেন। এরপর তা ধুয়ে ফেলবেন। এটি আপনারা ত্বকের যত্নে সপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে পারেন।
- আপনারা আরও একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। এজন্য আপনাদের কমলার খোসার গুড়া নিতে হবে। নিতে হবে প্রয়োজনমতো গোলাপ জল। এবার আপনারা এই দুইটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করে দেওয়ার পর পেস্ট তৈরি করবেন। তারপর তা আপনাদের ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর্যন্ত রেখে দিবেন। এরপর তা ধুয়ে ফেলবেন। এই পেস্টটি সপ্তাহে দুইবার ত্বকের যত্নে ব্যবহার করার ফলে ত্বকের উজ্জ্বল ভাব প্রতিফলিত হবে।
- ত্বকের যত্নে আপনারা আরও একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। এজন্য আপনারা কমলার খোসা নিবেন, নিবেন মুসরের ডাল। এরপর এই দুটি উপকরণকে একসঙ্গে বেটে পেস্ট তৈরি করবেন। এরপর তা আপনাদের ত্বকে লাগাবেন। এটি ব্যবহার করার ফলে ত্বকের যাবতীয় কালো দাগ দূর হয়ে ত্বকের মসৃণ ভাব ফিরে আসবে।
আরো পড়ুনঃ বেল খাওয়ার ১৭টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
কমলার খোসা চুলের যত্নে
কমলার খোসা চুলের যত্নে এই সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চুলের যত্নে কিভাবে কমলার খোসা দিয়ে হেয়ার প্যাক তৈরি করবেন তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
- আপনারা প্রথমে কমলার খোসা নিয়ে তা একটি পাত্রে রাখুন। এরপর এতে পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর ফুটিয়ে নেওয়া কমলার খোসা সহ পানি এভাবেই সারারাত রেখে দিন। এর পরের দিন সারারাত ভিজিয়ে রাখা এই পানি ছেঁকে নিবেন। তারপরে ছেঁকে নেওয়া পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিবেন। এটি করার ফলে চুল নরম হবে। একই সঙ্গে চুলের খুশকি ভাব দূর হয়ে যাবে।
- এছাড়াও আপনারা চুলের যত্নে আরো একভাবে হেয়ার প্যাক তৈরি করতে পারেন। এজন্য আপনারা মধু নিবেন, নিবেন কমলার খোসার গুড়া। এরপর এই দুটি উপকরণকে একসঙ্গে ভালোভাবে মিস করে পেস্ট তৈরি করবেন। এরপর এই পেস্ট চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ভালোভাবে লাগিয়ে দিন। লাগিয়ে রাখার ৩০ মিনিট পর তা ধুয়ে ফেলুন। এই হেয়ার প্যাকটি চুলে ব্যবহার করার ফলে চুলের উজ্জ্বলতা ভাব ফিরে আসবে।
কমলার খোসা গুড়া করার উপায়
কমলার খোসা গুড়া করার উপায় সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কমলার খোসা গুড়া করার নিয়মাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। এজন্য প্রথমে আপনাদের কমলার খোসা সংগ্রহ করতে হবে। এরপর এই খোসাগুলো থেকে সাদা অংশ গুলো ভালোভাবে ছাড়িয়ে নিতে হবে।
এই সাদা অংশগুলো যতটুকু পারেন ছাড়িয়ে ফেলবেন। এরপর এই খোসাকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিবেন। তারপর তা রোদে শুকাতে দিবেন। যখন দেখবেন এটি খুব ভালোভাবে শুকিয়ে গেছে। তখন তা আপনারা একটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিবেন। এটি ব্লেন্ড করার সময় যাতে এটি খুব ভালোভাবে পাতলা হয়। সেই দিকে নজর রাখবেন।
আরো পড়ুনঃ কিউই ফলের ১৬টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন
এরপর ব্লেন্ড করা কমলার খোসার গুড়া পাতলা কাপড় দিয়ে ছেঁকে আরো পাতলা করে নিবেন। এরপর তা আপনারা সংরক্ষণ করতে পারেন। এটি সংরক্ষণ করার জন্য এমন কোন কোটা নিতে পারেন। যেটিতে কোন ধরনের বাতাস ঢুকবে না। এভাবে আপনারা কমলার খোসার গুঁড়া অনেকদিন সংরক্ষণ করে কাজে লাগাতে পারেন। এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে কমলার খোসার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।
কমলার খোসার ব্যবহার
কমলার খোসার ব্যবহার সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কমলার খোসাকে কিভাবে ব্যবহার করবেন তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
- কমলার খোসাকে ব্যবহার করে সার দিতে পারেন। কেননা কমলার খোসার সার মাটিকে সমৃদ্ধ করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এর ফলে যে কোন ফলের গাছ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এছাড়াও আপনারা কমলার খোসাকে ব্যবহার করে পিপড়া অথবা পোকামাকড় দূর করতে পারেন। এজন্য প্রথমে আপনাদের পিঁপড়া অথবা পোকামাকড়ের বাসার আশেপাশে কমলার খোসার টুকরা রেখে দিতে হবে। এতে করে পিঁপড়া অথবা পোকামাকড়ের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
-
কমলার খোসা ব্যবহার করে রান্নাঘর পরিষ্কার করতে পারেন। এজন্য আপনাদের একটি
জার নিতে হবে। অর্থাৎ একটি ঢাকনাযুক্ত কন্টেইনার। এরপর এতে সাদা ভিনেগার
দিয়ে দিতে হবে। এতে আরো দিতে হবে কমলার খোসা। এরপর এই দুইটি উপকরণকে একসঙ্গে
রেখে দুই থেকে তিন সপ্তাহ মতো এভাবেই রেখে দিতে হবে। মাঝেমধ্যে এটিকে
ঝাঁকিয়ে নিবেন। এরপর দুই থেকে তিন সপ্তাহ হয়ে গেলে এটি থেকে ভিনেগার ছেঁকে
নিয়ে বাদবাকি অংশটুকু একটি স্প্রে করা বোতলে ভরে রান্না ঘরে ছিটিয়ে দিবেন।
তাহলে দেখবেন রান্নাঘর পরিষ্কার হবে। সেই সাথে রান্নাঘর থেকে সুগন্ধ বের
হবে।
আরো পড়ুনঃ আপেলের ১৬টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
কমলার খোসা দিয়ে কি হয়
কমলার খোসা দিয়ে কি হয় এই সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কমলার খোসা দিয়ে কি করা যায় তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
- কমলার খোসাকে ব্যবহার করে ত্বকে যত্ন নেওয়া যায়। অর্থাৎ আপনারা যদি কমলার খোসার ফেসপ্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান। তাহলে ত্বকের নানা ধরনের উপকারিতা সাধিত হবে। এছাড়াও আপনারা যদি চুলের যত্নে কমলার খোসার হেয়ার প্যাক চুলে লাগান তাহলেও চুলের নানা উপকারিতা সাধিত হয়ে থাকবে। এছাড়াও আপনারা কমলার খোসার গুড়া দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে পারেন। এতে করে দাঁতের হলদে ভাব দূর হয়।
- এছাড়াও আপনারা কমলার খোসাকে গরম পানিতে ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানি দিয়ে ঘর পরিষ্কার করতে পারেন। এতে করে ঘরের জীবাণু দূর হবে এবং ঘরকে সুগন্ধি ময় করে তুলতে এটি সহায়তা করবে। এছাড়াও কমলার খোসা পঁচিয়ে দিয়ে এর সার তৈরি করা যেতে পারে। এস সার মাটির সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করে থাকে। আর এর ফলে এই মাটিতে ফল দ্রুত বেড়ে ওঠে।
কমলার খোসার ফেসপ্যাক
কমলার খোসার ফেসপ্যাক সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কমলার খোসার ফেসপ্যাক তৈরি করার নিয়মাবলী আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
এজন্য আপনারা প্রথমে কমলার খোসার গুড়া নিবেন, আরো নিবেন প্রয়োজন মত অলিভ
অয়েল। এবার এই দুটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করবেন। তারপর আপনার ত্বকে লাগিয়ে
দিবেন। এটি আপনার ত্বকে ১০ মিনিটের মত লাগিয়ে রাখবেন। এরপর পানি দিয়ে তা
ধুয়ে ফেলবেন। এভাবে এই ফেসপ্যাকটি ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
থাকে।
আরো পড়ুনঃ সফেদা ফলের ১৯টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানুন
কমলার খোসা দিয়ে সিরাম
কমলার খোসা দিয়ে সিরাম এই সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কমলার খোসা দিয়ে সিরাম তৈরি করার ফলে কি ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায়। তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। সিরাম মূলত ত্বকের যত্নের জন্য বানানো হয়ে থাকে। এটি বানাতে কমলার খোসার নির্যাস অথবা গুড়া নেওয়া হয়ে থাকে।
কমলার খোসার রস চোখে দিলে কি হয়
কমলার খোসার রস চোখে দিলে কি হয় এই সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কমলার খোসার রস চোখে দেওয়ার ফলে কি ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। কমলার খোসার রস চোখে দেওয়া মোটেই ভালো কথা নয়। কেননা এটি চোখে দেওয়ার ফলে জ্বালা যন্ত্রণার সমস্যা তৈরি হতে পারে।
অর্থাৎ এটি চোখে গেলে চোখের জ্বালাপোড়া, চুলকানি ইত্যাদি নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে। যা দৃষ্টি শক্তির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এটি ব্যবহার করার সময় সাবধানে ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। মনে রাখতে হবে চোখ আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এটি নষ্ট হয়ে যায় এমন কোন ধরনের কাজ করা যাবে না। আশা করছি আপনারা ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন। এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে কমলার খোসার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।
রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url