গোলাপ জলের ৩টি অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

গোলাপ জলের অপকারিতা সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিত জেনে নেওয়া প্রয়োজন। কেননা গোলাপ জলের অনেক গুনাগুন এর পাশাপাশি এমন সকল অপকারিতা রয়েছে যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর। তাই এগুলো জেনে নেওয়া দরকার।
 
গোলাপ-জলের-অপকারিতা
গোলাপ জলের অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের দেওয়া লেখাগুলো খুব যত্ন সহকারে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই আপনারা গোলাপজলের যাবতীয় গুণাগুণের পাশাপাশি যাবতীয় অপকারিতা গুলো জানতে পারবেন।

গোলাপ জলের উপকারিতা কি

গোলাপ জলের উপকারিতা কি এই সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে গোলাপ জলের যাবতীয় উপকারিতা গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। 
  • গোলাপজল মূলত চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অর্থাৎ এই জল চোখের নিচে ফোলাভাব অথবা যে কোন ধরনের কালচে দাগ দূর করতে সহায়তা করে থাকে। কেননা এ জলে রয়েছে এন্টি ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য। যার কারণে এ ধরনের সমস্যা প্রতিরোধ করে থাকে।
  • এই জল ত্বকের যত্নেও দারুণ কার্যকরী। এ জল মূলত ত্বকের উজ্জ্বল ভাব ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে থাকে। অর্থাৎ এ জল ব্যবহার করার ফলে ত্বকের নিস্তেজ ভাব দূর হয়ে ত্বকের লাবণ্য চেহারা ফুটে ওঠে। তাই ত্বককে আরো আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য এ জল ব্যবহার করতে পারেন।
  • আমাদের অনেকের ব্রণের সমস্যা নিয়ে চিন্তিত থাকতে দেখা যায়। এ সমস্যা আপনারা গোলাপ জল ব্যবহার করে প্রতিরোধ করতে পারেন। কেননা আপনারা যদি গোলাপজল আপনাদের ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। তবে দেখবেন ব্রণ বের হচ্ছে না। এটি হয় কারণ এই জলে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে এটি ব্যবহারে ত্বকে ব্রণ বের হয় না।
  • গোলাপ জল ত্বকে ব্যবহার করার ফলে ত্বকের ভারসাম্য বজায় থাকে। অর্থাৎ এটি ব্যবহারে ত্বকের আদ্রতা ঠিক থাকে। এছাড়াও এটি পি এইচ এর ভারসাম্য রক্ষা করতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এর ফলে ত্বক কোমল এবং মসৃণ হয়ে ওঠে।

গোলাপ জলের অপকারিতা

গোলাপ জলের অপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা গোলাপ জলের যাবতীয় খারাপ দিকগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

  • গোলাপ জল ত্বকের জন্য ব্যাপক উপকারী। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এটি ত্বকের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থাৎ যাদের ত্বক সংবেদনশীল। তাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করার ফলে এলার্জির সমস্যা তৈরি হতে পারে। আর এলার্জির সমস্যা তৈরি হলে ত্বকে চুলকানি, ফুসকুড়ি অথবা জ্বালাপোড়ার সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই যাদের এ ধরনের সমস্যা তৈরি হবে, তারা এটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন।
  • এটি ব্যবহার করার ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই এটি ব্যবহার করার আগে সতর্ক হয়ে যাবেন। কেননা এটি ব্যবহারে যাদের ত্বক আগে থেকেই শুষ্ক ধরনের। এটি ব্যবহারে তাদের ত্বক আরো শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এ জল ব্যবহার করার আগে জেনে নেওয়া প্রয়োজন এ জলের সাথে অন্য কোন রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে কিনা। যদি ব্যবহার করা হয়। তাহলে তা ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। তাই এটি কিনার সময় দেখে কিনবেন।
  • আরো পড়ুনঃ পোস্ত খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন 

  • এছাড়াও এটি ব্যবহার করার সময় সতর্ক হয়ে যাবেন। কেননা এটি ব্যবহার করতে গিয়ে যদি কোনো কারণে ভুলবশত এটি চোখে চলে যায়। তাহলে চোখে জ্বালাপোড়ার সমস্যা তৈরি হতে পারে। এছাড়াও এটি কেনার আগে অবশ্যই ভালো মানের কিনা তা যাচাই করে নিবেন। কেননা এতে অনেক ধরনের কেমিক্যাল মিশ্রণ করা থাকে। যেগুলো আপনার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এটি কিনতে আপনার কোন বিশ্বস্ত দোকান নির্বাচন করুন।

গোলাপ জল ব্যবহারের নিয়ম

গোলাপ জল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা গোলাপ জল ব্যবহার করার নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

  • গোলাপ জলকে আপনারা শরীরে স্প্রে করতে পারেন। এতে করে শরীরের দুর্গন্ধ দূর হয়ে গিয়ে সুন্দর সুবাস ছড়াবে। এছাড়াও এটি আপনারা তুলোর সাহায্যে ত্বক পরিষ্কার কাজে ব্যবহৃত করতে পারেন। এভাবে ব্যবহার করার ফলে ত্বকের নিস্তেজ ভাব খুব সহজে দূর হয়ে যাবে। এছাড়াও আপনারা ত্বকের মেকআপ তোলার জন্য নারিকেল তেল এবং গোলাপজল আপনার ত্বকে ব্যবহার করে ত্বককে পরিষ্কার করে তুলতে পারেন।
  • এছাড়াও আপনারা ত্বকের উজ্জ্বলতায় ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। এজন্য নিতে হবে হলুদ গুঁড়া, মুলতানি মাটি এবং গোলাপজল। এই তিনটির সংমিশ্রণে পেস্ট তৈরি করে তা আপনার ত্বকে লাগিয়ে দিতে হবে। তারপর শুকিয়ে এলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে। এছাড়াও আপনারা যদি তুলো দিয়ে গোলাপজল চোখের উপর লাগান। তাহলে চোখের ফোলা ভাব দূর হবে এবং স্বাভাবিকভাবে প্রশান্তি দিবে। এই নিয়ম মেনে গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন।

গোলাপ জল দিয়ে রূপচর্চা

গোলাপ জল দিয়ে রূপচর্চা এ সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা গোলাপজলকে ব্যবহার করে কিভাবে রূপচর্চা করা যায় তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

  • এজন্য প্রথমে আপনাদের দুই চামচ ময়দা দিতে হবে, নিতে হবে লেবুর রস এবং নিতে হবে গোলাপ জল। এবার এই তিনটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করে মিহি ধরনের পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর এটি আপনার মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট মতো রেখে দিবেন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এই ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করার ফলে ত্বকের ট্যান ভাব খুব সহজে দূর হয়ে যাবে।
  • আরো পড়ুনঃ কাবাব চিনির ১০টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন 

  • আপনারা আরও একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। এজন্য আপনাদের চন্দনের গুড়া নিতে হবে, নিতে হবে মুলতানি মাটি, নিতে হবে যষ্টিমধু যতটুকু প্রয়োজন। এরপরে এই তিনটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এরপর তা ত্বকে লাগাতে হবে। এই ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে তিন থেকে চারবার ব্যবহার করার ফলে ত্বকের ভেতর থেকে যাবতীয় ময়লা দূর হয়ে যাবে। রূপচর্চায় এ সকল ফেসপ্যাক গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

কোন গোলাপ জল ভালো

কোন গোলাপ জল ভালো এ সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা কোন গোলাপজলটা ত্বকের জন্য ভালো হবে তা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। গোলাপজল কেনার সময় বিশ্বস্ত কোন ব্রান্ডের কেনার চেষ্টা করতে হবে। কেননা এ সকল ব্র্যান্ডই সবচাইতে ভালো মানের গোলাপজল সরবরাহ করে থাকে।

কোন-গোলাপ-জল-ভালো
তাই কেনার সময় দেখে শুনে কিনতে হবে। যদি গোলাপ জলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত রাসায়নিক উপাদান অথবা পারফিউম যুক্ত করা থাকে। তাহলে এটি কিনা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করতে হবে। যে গোলাপ জলটা ভালো তার প্রাকৃতিক সুবাস থাকে। এখন আমি আপনাদের ভারতের কয়েকটি জনপ্রিয় গোলাপ জলের নাম বলে দিচ্ছি।

আরো পড়ুনঃ মৌরি খাওয়ার ১৯টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন  

যেগুলো খুব ভালো মানের হয়ে থাকে। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে ডাবর গুলবারী রোজ ওয়াটার, পতঞ্জলি দিব্য রোজ ওয়াটার, কামা আয়ুর্বেদা রোজ ওয়াটার ইত্যাদি। এ সকল গোলাপ জল গুলো ভালো মানের হয়ে থাকে। এগুলো আপনারা চাইলে কিনতে পারেন। এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে গোলাপ জলের অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।

গোলাপ জলের ফেসপ্যাক

গোলাপ জলের ফেসপ্যাক সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা গোলাপজলের কয়েকটি ফেসপ্যাক সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

  • এজন্য প্রথমে আপনাদের গোলাপজল নিয়ে নিতে হবে, নিতে হবে গ্লিসারিন এবং আরো নিতে হবে জলপাইয়ের তেল। এবার এই তিনটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এ পেজটি আপনার ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে শুকিয়ে যাওয়ার পর তা ধুয়ে ফেলতে হবে। এই ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করার ফলে ত্বকের আদ্র ভাব অনেকক্ষণ যাবৎ বজায় থাকবে। এছাড়াও এটি আপনার ত্বকের বয়সের ছাপ পড়া থেকে বিরত রাখবে।
  • আরো একটি ফেসপ্যাক তৈরি করে নিতে পারেন। এজন্য আপনাদের প্রথমে দিতে হবে এক চামচ মত গোলাপের জল, নিতে হবে এক চামচ এলোভেরা জেল। এরপরে এই উপকরণগুলোকে ভালোভাবে একসঙ্গে মিস করার পর পেস্ট তৈরি করুন। এরপর তা আপনার মুখে লাগিয়ে রেখে পনের থেকে বিশ মিনিট রেখে দিন। এরপর তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করার ফলে ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর হবে। সেই সাথে ত্বকের আদ্রতা ভাব বজায় রেখে ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলবে।
  • ত্বকের যত্নে আরও একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। এজন্য প্রথমে নিতে হবে এক চামচ টক দই, নিতে হবে এক চামচ গোলাপ জল। এবার এই দুইটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করে দেয়ার পর পেস্ট তৈরি করতে হবে। এরপর তা মুখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করার ফলে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকবে। একই সঙ্গে ত্বককে মসৃণ এবং উজ্জ্বলময় করে তুলবে।

এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে গোলাপ জলের অপকারিতা এবং গোলাপ জলের উপকারিতা কি এ সম্পর্কেও সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।

গোলাপ জলের দাম কত

গোলাপ জলের দাম কত এ সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা গোলাপ জলের দাম কেমন হতে পারে তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। গোলাপ জল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এটিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করার নিয়ম জানলে নানা ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায়।

এটির সঠিক ফেসপ্যাক তৈরি করার নিয়ম জানা তাই অতীব জরুরী। এখন প্রশ্ন হল গোলাপ জলের দাম কেমন হতে পারে তা সম্পর্কে। আমরা অনলাইনের একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে গোলাপ জলের দাম দেখতে পাই ১২০ মিলির দাম ৯০ টাকা করে। এছাড়াও আমরা আরও একটি গোলাপ জলের দাম দেখতে পাই ৪৫ টাকা করে।

আরো পড়ুনঃ শিমুলের মূল খাওয়ার ১৩টি উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন   

যেখানে গোলাপ জল রয়েছে ১০০ গ্রাম এর মত। গোলাপ জলের দাম সাধারণত এরকমই হয়ে থাকে। তবে জায়গা বুঝে দাম কম বেশি হতে পারে। আশা করছি আপনারা গোলাপের জলের দাম কেমন তা জানতে পেরেছেন। এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে গোলাপ জলের অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।

গোলাপ জল মুখে কিভাবে ব্যবহার করব

গোলাপ জল মুখে কিভাবে ব্যবহার করব এ সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা গোলাপজল আপনি কিভাবে মুখে মাখতে পারেন তা সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। আপনারা চাইলে গোলাপ জলকে তুলোর সাহায্যে মুখে লাগাতে পারেন। এর ফলে অনেক উপকার হবে। অর্থাৎ এভাবে লাগালে ত্বকের ভেতর থেকে পরিষ্কার হবে এবং ত্বকের সতেজ ভাব ফুটে উঠবে। আপনারা চাইলে গোলাপ জলকে একটি স্প্রে করা বোতলে ভরে রাখুন। 

গোলাপ-জল-মুখে-কিভাবে-ব্যবহার-করব
এরপর যখন আপনার ত্বককে ক্লান্ত দেখাবে তখন তা পরিষ্কার পানি দিয়ে আগে ত্বক ধুয়ে ফেলে ত্বকে স্প্রে করুন। এটি করার ফলে ত্বকের ক্লান্তি ভাব দূর হয়ে ত্বক ফ্রেশ হবে। এছাড়াও আপনারা বিভিন্ন ধরনের ফেসপ্যাক আপনাদের মুখে লাগাতে পারেন। উপরের আলোচনায় বেশ কয়েকটি ফেসপ্যাক সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। চাইলে সেগুলো পড়ে আসতে পারেন।

এছাড়াও আপনারা যদি গোলাপজল তুলোর সাহায্যে চোখে লাগাতে পারেন। তাহলে চোখের নিচে জমে থাকা কালো দাগ দূর হবে। সেই সঙ্গে সাময়িকভাবে আরাম পাবেন। এভাবে সাধারণত আপনারা গোলাপজলকে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে গোলাপ জলের অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।

গোলাপ জল দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায়

গোলাপ জল দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা গোলাপজল ব্যবহার করে ফর্সা হওয়া যায় কিনা তা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। গোলাপ জল ব্যবহার করে মুখের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা যায়। এজন্য কয়েকটি ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। তা নিচে দেওয়া হলঃ

  • এজন্য প্রথমে আপনারা ২ চামচ মত বেসন নিবেন, আরো নিতে হবে এক থেকে দুই চামচ গোলাপজল এবং নিতে হবে এক চামচ হলুদের গুড়া। এবার এই তিনটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করে পেস্ট তৈরি করে নিন। তারপর তা আপনি আপনার ত্বকে লাগিয়ে দিন। কিছুক্ষণ রেখে যখন দেখবেন শুকিয়ে গেছে। তখন এটি ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এই ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করার ফলে ত্বকের উজ্জ্বল ভাব ফিরে আসবে।
  • আরো একটি ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। এজন্য আপনারা প্রথমে লেবুর রস নিবেন এবং গোলাপের জল নিবেন। তারপর এই দুইটি উপকরণকে একসঙ্গে মিস করে নিবেন। এবার এটি ত্বকে তুলোর সাহায্যে ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলবেন। এ কাজটি করার ফলে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের দাগ দূর হবে। এ কাজটি করার সময় সাবধানে কাজ করবেন। কেননা সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এই ফেসপ্যাকটি সমস্যা তৈরি করতে পারে। এই ফেসপ্যাক গুলো ব্যবহার করার ফলে হারানো ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।

লেখকের শেষ কথা  

উপরের আলোচনা থেকে আমরা গোলাপ জলের অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে এসেছি। আমরা আরো জানতে সক্ষম হয়েছি গোলাপ জলের উপকারিতা কি এ সম্পর্কেও। গোলাপ জল আমাদের ত্বকের জন্য এবং আমাদের স্বাস্থ্যের অনেক সমস্যার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তাই এর সম্পর্কে সঠিক গুনাগুন জেনে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটাও জেনে এটাকে ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে। আমি উপরের আলোচনায় চেষ্টা করেছি গোলাপ জলের যাবতীয় গুনাগুন সম্পর্কে আলোচনা করার। এছাড়াও এটি কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, এর ক্ষতিকর দিকগুলো কি এসব সম্পর্কে উপরের আলোচনায় বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনারা যদি উপরের আলোচনাটি ভালোভাবে পড়ার চেষ্টা করেন। তাহলে অবশ্যই এর যাবতীয় গুণাগুণ সম্পর্কে জানতে সক্ষম হবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url