চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদির অবাক করা কার্যকারিতা জানুন

চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদির কার্যকারিতা সম্পর্কে আপনাদের জেনে নেওয়া প্রয়োজন। কেননা চুলের যত্নে সরিষার তেল এবং সেই সাথে মেহেদি অনেক বেশি কাজ করে থাকে। তাই এর গুণাবলী গুলো জেনে নেওয়া অনেক প্রয়োজন।

চুলের-যত্নে-সরিষার-তেল-ও-মেহেদি
চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদির গুণাবলী গুলো জানতে নিচের দেওয়া লেখা গুলো খুব যত্ন সহকারে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই মূলত চুলের যত্নে সরিষা থেকে তৈরি তেল ও মেহেদিকে খুব ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।

সূচিপত্রঃ চুলের জন্য সরিষার তেল ও মেহেদির গুণাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদি

চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদি এই সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চুলের যত্নে আপনার কিভাবে সরিষার তেল ও মেহেদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেই সম্পর্কে জেনে নেয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।

চুলের যত্নে সরিষার তেলের গুণাবলীঃ

  • সরিষার তেল চুল পড়া প্রতিরোধ করে থাকে। আপনি যদি আপনার মাথার ত্বকে সরিষার তেল লাগান তবে আপনার চুলের ফলিকলগুলো প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এবং সেই সাথে চুলের দুর্বল হওয়া প্রতিরোধ হয়ে চুল পড়া কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
  • সরিষার তেল মাথার ত্বকে ব্যবহার করার ফলে চুলের খুশকি সমস্যা দূর হয়ে যায়। কেননা সরিষার তেলে এন্টিফাঙ্গাল এবং এন্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে এটি ব্যবহারে চুলের খুশকি সমস্যা দূর হয়ে যায়। তাই আপনাদের যদি চুলের খুশকি সমস্যা থাকে। তাহলে আপনারা নির্দ্বিধায় চুলের যত্নে সরিষার তেল লাগাতে পারেন।
  • সরিষার তেল চুলের যত্নে ব্যবহার করলে এতে থাকা ভিটামিন ও খনিজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও এতে থাকা উচ্চমাত্রায় বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন এ তে রূপান্তরিত হওয়ার ফলে চুলের বৃদ্ধি করে থাকে। এছাড়াও সরিষার তেল অকালে চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

চুলের যত্নে মেহেদির গুণাবলীঃ

  • আপনি যদি আপনার মাথার ত্বকে মেহেদি লাগান তাহলে তা চুলের পুষ্টি ফিরিয়ে দিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকবে। এতে করে আপনার চুল ভিতর থেকে অনেক মজবুত এবং শক্তিশালী হয়ে উঠবে। সেই সাথে আপনার চুল পড়া সমস্যাও প্রতিরোধ হয়ে যাবে। তাই আপনার চুলকে পুষ্টি জোগাতে চুলের গোড়ায় সপ্তাহে একদিন মেহেদি ব্যবহার করুন।
  • অনেকের চুলে অনেক বেশী খুশকি হয়ে থাকে। এই কারণে আপনারা অনেক বেশি চিন্তিত থাকেন। কেননা চুলে যত পরিমাণ খুশকির সমস্যা হবে। ঠিক তত পরিমাণ চুল পড়া শুরু করবে। তাই এটি একটি খুব খারাপ সমস্যা। তাই এই সমস্যা প্রতিরোধে আপনারা চুলের গোড়ায় মেহেদি ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য প্রতি ১৫ দিনে দুইবার চুলের গোড়ায় মেহেদি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। আশা করছি খুশকি সমস্যা দূর হয়ে চুল পড়া প্রতিরোধ হবে।
  • অনেকেই লম্বা চুল পেতে চান। আবার চুলের বৃদ্ধির জন্যও নানা খোঁজাখুঁজি করেন কোন উপকরণটা চুলে দেয়া যাবে। আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে মেহেদি। এটি চুলের গোড়ায় লাগানোর ফলে চুল যেমন লম্বা হয়। ঠিক তেমনি চুলের বৃদ্ধি ও দ্রুত গতিতে ত্বরান্বিত হয়। তাই আপনারা চুলের বৃদ্ধিতে মেহেদি ব্যবহার করতে পারেন।

নতুন চুল গজাতে সরিষার তেল

নতুন চুল গজাতে সরিষার তেল এ সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা নতুন চুল গজানোর জন্য সরিষার তেল কিভাবে কাজ করে থাকে তা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক। আমরা অনেকেই চুলের সমস্যায় জর্জরিত। আমাদের চুল পড়ে পড়ে মাথা খালি হয়ে যাওয়ার অবস্থা। এমন অবস্থায় আমরা প্রায়ই পড়ে থাকি।

এই সমস্যা প্রতিরোধ করার জন্য আপনারা চাইলে মাথায় ব্যবহার করতে পারেন সরিষার তেল। এই তেল ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন, খনিজ ও বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ। যার কারণে এই তেলটি যদি আপনারা আপনাদের মাথার ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।

তবে আপনাদের চুলের বৃদ্ধি দ্রুত গতিতে ত্বরান্বিত হবে। সেই সাথে চুল বহু গুনে লম্বা হওয়ার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনারা আপনাদের চুলকে বৃদ্ধি ও লম্বা করার জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও আপনারা চাইলে উপরের আলোচনা থেকে চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদির কার্যকারিতা জেনে আসতে পারেন।

চুলে সরিষার তেল ব্যবহারের নিয়ম

চুলে সরিষার তেল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চুলে কিভাবে সরিষার তেল ব্যবহার করলে এই তেলের যাবতীয় গুণাবলী পেতে পারবেন। চলুন তা জেনে আসি।

  • আপনারা প্রথমে দই বা মধুর সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিবেন। এরপর চুল ও মাথার ত্বকে ভালোভাবে তা দিয়ে দিবেন। এভাবেই আপনারা আধা ঘন্টা রেখে দিবেন। এরপর কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করে তা ধুয়ে ফেলবেন। এই হেয়ার মাস্কটি ব্যবহার করার ফলে আপনার চুল খুব সুন্দর এবং ঝলমলে হবে। তাই আপনারা আপনাদের চুলকে সুন্দর এবং ঝলমলে করে তোলার জন্য এই নিয়মটি ফলো করতে পারেন।
  • আপনারা আরেকটি কাজ করতে পারেন তা হল সামান্য পরিমাণে সরিষার তেল গরম করে নিবেন। এরপর তা মাথার ত্বকে অর্থাৎ চুলে মাসাজ করতে থাকবেন। এরপর আপনারা আধা ঘন্টার জন্য শাওয়ার ক্যাপ ব্যবহার করে আপনার চুলকে ঢেকে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে তা ধুয়ে ফেলুন। এই কাজটি করার ফলে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং সেই সাথে আপনার চুলকে গভীরভাবে এটি পুষ্টি যোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কালো চুলে মেহেদি দিলে কি হয়

কালো চুলে মেহেদি দিলে কি হয় এই সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা কালো চুলে মেহেদি দিলে কি হয় তা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। কালো চুলে মেহেদি দেওয়ার ফলে চুলে একটি প্রাকৃতিক ঝলক দেখা যায়। এছাড়াও আপনারা যদি কালো চুলে মেহেদি ব্যবহার করেন তবে আপনাদের চুলের রং লালচে অথবা কমলা রঙের আকার ধারণ করবে।

 আপনাদের চুলের রং কতটা গাঢ় ভাবে হলদিয়া অথবা লাল হবে। তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে মেহেদির মান, ব্যবহার করার পদ্ধতি এবং সেই সাথে এটি আপনি কতক্ষণ চুলে লাগিয়ে রাখছেন তার উপর। এছাড়াও কালো চুলে মেহেদি দেওয়ার ফলে চুলের স্কাল্প সুস্থ থাকে। কালো চুলে মেহেদি দেওয়ার ফলে এ ধরনের কার্যকারিতা গুলো সম্পন্ন হয়ে থাকে।

চুলে মেহেদি পাতা লাগানোর নিয়ম

চুলে মেহেদি পাতা লাগানোর নিয়ম সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চুলে মেহেদি লাগার যাবতীয় নিয়মাবলী আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

চুলে-মেহেদি-পাতা-লাগানোর-নিয়ম

  • এজন্য প্রথমে আপনাকে মেহেদি পাতা সংগ্রহ করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর এই পাতা বেটে নিতে হবে। তারপর এই বেটে নেওয়া মিশ্রনের সঙ্গে হালকা পানি ও লেবুর রস মিশাতে হবে। তারপর চুলের স্কাল্পে ভালোভাবে লাগিয়ে দিতে হবে। এভাবে লাগিয়ে যতক্ষণ না শুকাবে ততক্ষণ পর্যন্ত রেখে দিন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে আপনারা চুলে মেহেদি পাতা লাগাতে পারেন।
  • আপনারা বাজার থেকে মেহেদি পাউডার কিনে এনে এতে টক দই, লেবুর রস এবং সামান্য পরিমাণে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করতে পারেন। এর পরে এই পেস্ট কয়েক ঘণ্টার মতো এভাবে রেখে দেন। এতে করে এর রং আরো সুন্দর হবে। তারপর চুলের গোড়ায় ভালো ভাবে লাগিয়ে দিন। এরপর তা শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে সাধারণ পানি ব্যবহার করে তা ধুয়ে ফেলুন। এখানে শ্যাম্পু ব্যবহার করা দরকার নাই। তবে আপনারা এটি করার পরের দিন চাইলে স্যাম্প ব্যবহার করতে পারেন।

চুলে সরিষার তেলের উপকারিতা

চুলে সরিষার তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চুলে সরিষার তেলের উপকারিতা গুলো জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। চুলের যত্নে সরিষার তেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সরিষার তেলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই এবং প্রোটিন রয়েছে। এই উপাদানগুলো থাকার কারণে এটি চুলের স্কাল্পে ব্যবহার করার ফলে চুল দ্রুত গতিতে ত্বরান্বিত হয়। সেই সাথে চুলের গোড়া মজবুত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এছাড়াও এতে এন্টিফাঙ্গাল এবং এন্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকার কারণে এটি চুলের খুশকি দূর করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাছাড়াও এটি চুলের পড়া প্রতিরোধ করে এবং রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এছাড়াও আপনারা যদি সরিষার তেল চুলে নিয়মিত ব্যবহার করা শুরু করেন তবে আপনাদের চুল প্রাকৃতিকভাবে মসৃণ এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। সেই সাথে চুলের শুষ্কতা দূর করতেও এই তেল কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকবে। এছাড়াও আপনারা চাইলে উপরের আলোচনা থেকে চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদির কার্যকারিতা এবং নতুন চুল গজাতে সরিষার তেল জেনে আসতে পারেন।

চুলে সরিষার তেলের অপকারিতা

চুলে সরিষার তেলের অপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চুলে সরিষার তেল ব্যবহার করার ফলে কি ধরনের অপকারিতা সাধিত হতে পারে তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

  • চুলে সরিষার তেল ব্যবহার করার ফলে কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এলার্জির সমস্যা হতে পারে। এই কারণে যাদের চুলের গোড়ায় চুলকানি, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিবে। তারা সরিষার তেল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। সরিষার তেল চুলে সঠিকভাবে ব্যবহার না করা হলে এটি লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশি করে থাকে। অর্থাৎ চুলের গোড়ায় খুশকি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • এছাড়াও সরিষার তেলের গন্ধ অনেক সময় অনেকের পছন্দ না হতে পারে। যার কারণে এটি বিরক্তিবোধ সৃষ্টি করতে পারে। এই তেল ব্যবহার করার আগে অবশ্যই হালকা গরম করে নিবেন। তবে মাথায় রাখবেন এই তেল মাথায় চুলে বেশিক্ষণ রেখে দিবেন না। নয়তো ক্ষতি হতে পারে। এই তেল ব্যবহার করার পর শ্যাম্পু করে মাথা ধুয়ে ফেলতে পারেন। আশা করছি আপনারা যদি এই নিয়মগুলো ফলো করে চলেন। তাহলে এই তেলের পুষ্টিগুণ গুলো চুলের জন্য কাজে লাগাতে পারবেন।

মেহেদি পাতা দিয়ে চুল কালার

মেহেদি পাতা দিয়ে চুল কালার কিভাবে করতে হয় তা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা মেহেদি পাতা ব্যবহার করে কিভাবে চুলকে কালার করতে হয় তার পদ্ধতি গুলো জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

মেহেদি-পাতা-দিয়ে-চুল-কালার

  • এজন্য প্রথমে আপনাকে মেহেদি পাতা সংগ্রহ করতে হবে। এরপর এই পাতাগুলোকে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে পাটায় বেটে নিতে হবে। এরপর এই পেস্টটির সাথে হালকা পানি দিতে হবে। এরপর তা আপনার চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে দিন। এটি শুকানো পর্যন্ত মাথায় রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন আপনার চুলের সুন্দর একটি কালার হয়েছে।
  • আরেকটি পদ্ধতির সাহায্যে আপনারা মেহেদির মাধ্যমে চুলের কালার করতে পারেন। এজন্য আপনাদের মেহেদি পাউডার সংগ্রহ করতে হবে। তারপর এই পাউডারের সঙ্গে ডিম এবং টক দই মিস করে দিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। তারপর এই পেস্টটি আপনার চুলের গোড়ায় লাগাতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত না এটি শুকিয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত এটি রাখতে হবে। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে আপনারা মেহেদি দিয়ে চুলের কালার করতে পারেন।

মেহেদি কি চুলের জন্য ভালো নয়

মেহেদি কি চুলের জন্য ভালো নয় এ ধরনের প্রশ্ন আপনারা করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা মেহেদি চুলের জন্য ভালো কিনা তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। মেহেদি আপনার চুলের জন্য ভালো হবে কিনা তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আপনার উপর। অর্থাৎ আপনি এটি কেমন ভাবে ব্যবহার করছেন তার ওপর।

মেহেদি ব্যবহার করার ফলে চুলের স্কাল্প পরিষ্কার থাকে এবং সেই সাথে এটি খুশকি সমস্যা দূর করার জন্য কাজ করে থাকে। এছাড়াও চুল পেকে গেলে এই পেকে যাওয়া সমস্যা দূর করার জন্য মেহেদি ব্যবহার করা হয়। এই মেহেদি চুলের রং দূর করে দিয়ে বাদামি লালচে কালার নিয়ে আসে। যা সাদা চুলের মোকাবেলায় ভূমিকা রাখে।

এছাড়াও এটি চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং সেই সাথে চুলের ক্ষতি এড়াতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে এটি ঘন ঘন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন। কেননা এটি ঘন ঘন ব্যবহার করার ফলে চুলের রুক্ষতা ও শুষ্কতা ভাব দেখা দিতে পারে। আর চুল কালো থাকলে এটি না ব্যবহার করায় ভালোভাবে।

কেবলমাত্র আপনার চুল যদি সাদা রং ধারণ করে তখনই এটি ব্যবহার করা উপযুক্ত হবে। এছাড়াও আপনারা চাইলে উপরের আলোচনা থেকে চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদির কার্যকারিতা জেনে আসতে পারেন।

লেখকের শেষ কথা 

উপরের আলোচনা থেকে আমরা চুলের যত্নে সরিষার তেল ও মেহেদি এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে এসেছি। আমরা আরো জানতে সক্ষম হয়েছি নতুন চুল গজাতে সরিষার তেল সম্পর্কেও। আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ চুল। এটি ছাড়া আমাদের শরীরের সৌন্দর্য অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

তাই চুলের যত্ন নেওয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর চুলের যত্নে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে দুইটি উপকরণ। একটি হলো মেহেদি এবং অপরটি হল সরিষার তেল। এই দুইটি উপকরণেই আমাদের চুলের যত্নে অনেক বেশি সহায়তা করে থাকে।

এগুলো ব্যবহারের সঠিক নিয়ম রয়েছে। যে নিয়মগুলো আমি উপরের আলোচনায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনারা যদি উপরের নিয়ম গুলো ভালোভাবে পড়ে থাকেন। তাহলে চুলের যত্নে এই দুটি উপকরণকে কাজে লাগাতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url