পাম তেলের ১০টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনাদের জেনে নেওয়া প্রয়োজন। কেননা পাম তেলের এমন সকল গুনাগুন রয়েছে। যেগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। তাই এর গুনাগুন জানা অতীব প্রয়োজন।

পাম-তেলের-উপকারিতা-ও-অপকারিতা
পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের দেওয়া লেখাগুলো খুব যত্ন সহকারে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই আপনারা পাম তেলের যাবতীয় গুনাগুন গুলো খুব সহজেই জানতে সক্ষম হবেন।

সূচিপত্রঃ পাম তেলের যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা 

পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা পাম তেলের যাবতীয় ভালো দিকগুলো এবং খারাপ দিকগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

পাম তেলের উপকারিতা গুলোঃ
  • পাম তেল চুলের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এটি মূলত প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে থাকে। এছাড়াও এটি চুলের যাবতীয় ক্ষতিকর দিকগুলো দূর করে চুলকে মসৃণ এবং উজ্জ্বল করে তোলার জন্য কাজ করে থাকে। তাই আপনারা এই তেলটি চুলের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন।
  • শরীর অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এমনকি মাঝে মাঝে শক্তির ঘাটতি হয়ে পড়ে। এই সময় আপনারা যদি পাম তেল খেতে পারেন। তবে আপনাদের শক্তির ঘাটতি হওয়া প্রতিরোধ হবে। এটি খাওয়ার ফলে এতে থাকা পর্যাপ্ত ক্যালোরি দেহে শক্তি বৃদ্ধি করতে কাজ করে থাকে।
  • পাম তেল ব্যবহার করে নিত্যদিনের বিভিন্ন প্রসাধনী তৈরি করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সাবান, খাদ্য পণ্য ইত্যাদি। আর এইসব খাদ্য পণ্য খাওয়ার ফলে এবং প্রসাধনী গুলো ব্যবহারের ফলে আমাদের শরীরের অনেক উপকারিতা সাধিত হয়ে থাকে।
  • পাম তেলকে ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিও তৈরি করা হয়। যা আমাদের পরিবেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
  • অনেক সময় হজমের সমস্যা হয়। এই সমস্যা দূরীভূত করতে চাইলে খেতে পারেন পাম তেল। এই তেল খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা প্রতিরোধ হয়ে থাকে।
  • পাম তেলে রয়েছে ভিটামিন ই এবং ভিটামিন এ। এই দুটি উপাদান আমাদের ত্বকের এবং চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এতে থাকা ভিটামিন এ আমাদের চোখের জন্য অনেক ভালো। অন্যদিকে ভিটামিন ই আমাদের ত্বকের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
  • পাম তেলে রয়েছে টোকোট্রায়েনল। এই উপাদানটি আমাদের শরীরে অকালে বার্ধকের ছাপ পড়া প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
  • পাম তেলে রয়েছে স্যাচুরেটেড এবং আনস্যাচুরেটেড চর্বির ব্যালেন্স। যেটি আমাদের হার্টের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই আপনারা আপনাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে এই তেল খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।
  • পাম তেলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুন। এই গুনটি থাকার কারণে এটি খাওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। সেই সাথে দীর্ঘ মেয়াদ যাবত হৃদরোগে ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয় এমনকি শরীরে বার্ধক্যের ছাপ পড়া প্রতিরোধ হয়ে থাকে।
  • পাম তেল ব্যবহার করার ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং সেই সাথে আল-ঝাইমার রোগের উপশম হতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
পাম তেলের অপকারিতা গুলো

পাম তেল খাওয়ার ফলে যেমন অনেক উপকারিতা সাধিত হয়ে থাকে ঠিক তেমনি কিছু অপকারিতাও হয়ে থাকে। পাম তেল যেহেতু উচ্চ ক্যালরিযুক্ত। তাই এটি অতিরিক্ত খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এছাড়াও এই তেলে থাকা কিছু রাসায়নিক উপাদানের কারণে এটি খাওয়ার ফলে ত্বকে এলার্জির সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পাম তেল খাওয়ার ফলে কিছু কিছু মানুষের খেতে দেখা যায় হজমের সমস্যা হচ্ছে। আর হজমের সমস্যা হলে বমি বমি ভাব, পেটব্যথা, গ্যাস এবং এসিডিটির সমস্যা হতে দেখা যায়। তাই এটি অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। নিয়ম মেনে প্রয়োজনমতো খেলে মিলবে উপকারিতা।

পাম তেল কিভাবে তৈরি হয়

পাম তেল কিভাবে তৈরি হয় এই সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা পাম তেল কিভাবে তৈরি হয় তার প্রক্রিয়াগুলো জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। পাম তেল তৈরির জন্য প্রথমে পাম গাছ থেকে পাম ফল সংগ্রহ করা হয়। এরপর এই ফলগুলোকে গরম পানিতে সেদ্ধ করা হয়।

তারপর এতে থাকা আঁশ এবং বীজগুলোকে একটি মেশিনের সাহায্যে বের করে রাখা হয়। এরপর এই আঁশ থেকে প্রেসিং মেশিনের মাধ্যমে তেল তৈরি করা শুরু হয়। আর এভাবেই রেড পাম তেল পাওয়া যায়।

এই রেড পাম তেল ভালোভাবে পরিশোধন করে নেওয়া হয়। এই তেলে যত ধরনের ময়লা বালি রয়েছে তা দূর করে একে খাবার উপযোগী করে তোলা হয়। আর এভাবেই পাম তেল রান্নায় এবং সেই সাথে বিভিন্ন প্রসাধনী তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

পাম তেল-এর পুষ্টিগুণ

পাম তেল-এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা পাম তেলের যাবতীয় পুষ্টি উপাদান গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। পাম তেলে এমন সকল পুষ্টি উপাদান রয়েছে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। এই পুষ্টি উপাদানগুলো হলোঃ

  • ক্যালরির পরিমাণ ১২০
  • চিনির পরিমাণ ০ গ্রাম
  • ফাইবারের পরিমাণ ০ গ্রাম
  • কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ ০ গ্রাম
  • চর্বির পরিমাণ ১৪ গ্রাম
  • প্রোটিনের পরিমাণ ০ গ্রাম

পাম অয়েলের ক্ষতিকর দিক

পাম অয়েলের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে আমরা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা পাম অয়েলের ক্ষতিকর দিকগুলো জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। পাম অয়েল অনেক উপকারিতা বহন করলেও এর বেশ কিছু খারাপ দিক রয়েছে। তাই তা জানা আমাদের জন্য অনেক জরুরী।

  • পাম অয়েল যখন আপনার উচ্চ তাপমাত্রা দিয়ে পরিশোধন করা হয়। তখন দুই ধরনের রাসায়নিক যৌগ তৈরি হয়। যার ফলে এটি আমাদের শরীরের কিডনির ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও এটি স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি সাধনেও ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এই তেলের বদলে যে তেলগুলো কম তাপমাত্রায় পরিশোধন করা হয় সেগুলো ব্যবহার করতে হবে।
  • উচ্চ তাপমাত্রায় পাম অয়েল পরিশোধন করার ফলে যে দুইটি রাসায়নিক যৌগ তৈরি হয় তা ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। সেই সাথে এটি পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই এই তেল খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। সেই সাথে যে তেলগুলো কম তাপমাত্রায় পরিশোধন করা হয়। সেই তেল গুলো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

পাম তেলের দাম

পাম তেলের দাম সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা পাম তেলের দাম কেমন হতে পারে তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। খোলা পাম তেলের দাম খুঁজতে গিয়ে আমরা দেখতে পাই প্রতি লিটার পাম তেলের দাম ১২৫ টাকা থেকে ১৩৫ টাকার ভেতর। ।

পাম-তেলের-দাম
অথচ এর আগের সপ্তাহে খোলা পাম তেলের দাম ছিল ১২৫ টাকা থেকে ১৩০ টাকা করে। এভাবে তেলের দাম কম বেশি হতে পারে। আপনারা যখন বাজারে তেল কিনতে যাবেন তখন এই নামগুলো একটু কম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে খুব একটা কমবেশি হবে না। আশা করছি আপনারা পাম তেলের দাম কেমন হতে পারে তা সম্পর্কে হালকা হলেও একটি ভাল ধারণা পেয়েছেন।

পাম অয়েল খারাপ হলে কিভাবে বুঝবো

পাম অয়েল খারাপ হলে কিভাবে বুঝবো এই সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা পাম অয়েল খারাপ হলে আপনি কিভাবে বুঝবেন তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। তেল নষ্ট হয়ে গেছে কিনা এটি ভালোভাবে বোঝার জন্য আপনাকে প্রথমে দেখতে হবে এর গন্ধ কেমন দেখাচ্ছে।

এর গন্ধ যদি টক অথবা বিশ্রী হয় তাহলে বুঝে নিবেন এটি খারাপ হয়ে গেছে। এছাড়াও আপনারা যদি তেলের রং স্বচ্ছ অথবা হালকা হলুদ দেখতে পান। তাহলে বুঝবেন এই তেল ঠিক আছে। কিন্তু আপনারা যদি তেলের রং গাঢ় বাদামী অথবা ময়লা ধরনের দেখতে পান। তবে বুঝে নিবেন তেল নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়াও আপনারা যদি এর স্বাদ তেতো অথবা টক বুঝতে পারেন।

তাহলেও বুঝে নেবেন যে এই তেল খারাপ হয়ে গেছে। এছাড়াও আপনারা পাম অয়েল কিনার সময় ভালোভাবে দেখে নিবেন এটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে কিনা সেই সম্পর্কে। এই কারণগুলো দেখার মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই পাম অয়েল তেল শনাক্ত করতে পারবেন। এছাড়াও আপনারা চাইলে উপরের আলোচনা থেকে পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা এবং পাম তেল কিভাবে তৈরি হয় এই সম্পর্কেও বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।

বাচ্চাদের জন্য পাম অয়েল খাওয়া যাবে কি

বাচ্চাদের জন্য পাম অয়েল খাওয়া যাবে কি এই সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা বাচ্চাদের জন্য এই তেল খাওয়া উচিত হবে কিনা সেই সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক। 

  • বাচ্চাদের এই তেল খাওয়ানো নিরাপদ হবে কিনা তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে এই তেল আপনারা কিভাবে এবং কোন পদ্ধতিতে আপনার সন্তানের খাওয়াচ্ছেন তার উপর। এটি খাওয়ার আগে কিছু বিষয় জেনে নেওয়া প্রয়োজন। সাধারণত প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলোতে এই তেল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যার ফলে এই তেল খাওয়ার ফলে এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
  • এই তেলে স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। যার কারণে এটি অতিরিক্ত পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করলে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি হতে পারে। তা এটি পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত হবে। এছাড়াও আপনারা এই তেল বাচ্চাদের খাওয়ানোর আগে নিশ্চিত হন ভালোভাবে যে এই তেল উচ্চমানের হাইড্রোজেনেটেড নয়। এটি যদি ভালোভাবে নিশ্চিত হতে পারেন। তবেই আপনারা এই তেল বাচ্চাদের খাওয়াবেন। আর নয়তো খাওয়াবেন না।
এছাড়াও আপনারা চাইলে উপরের আলোচনা থেকে পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।

পাম তেল কি কাজে লাগে

পাম তেল কি কাজে লাগে এই সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা পাম তেল কোন কোন কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তা সঠিকভাবে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

পাম-তেল-কি-কাজে-লাগে
  • পাম তেল সাধারণত রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এছাড়াও এটিকে বিস্কুট, কেক, চকলেট ইত্যাদি নানা খাবারগুলোতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও এটিকে ইনস্ট্যান্ট নুডুলস তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাছাড়াও এই তেল ব্যবহার করে সাবান, লোশন, শ্যাম্পু ইত্যাদি নানা প্রসাধনী তৈরি করা হয়ে থাকে।
  • এছাড়াও পাম তেল ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ,মোমবাতি, ডিটারজেন্ট এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি তৈরিতেও পাম তেল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও পাম তেল ব্যবহার করে পশুর খাদ্যও তৈরি করা হয়। মূলত এই কাজগুলোতেই পাম্প তেলের ব্যবহার হয়ে থাকে।
এছাড়াও আপনারা চাইলে উপরের আলোচনা থেকে পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।

পাম তেলের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

পাম তেলের দুর্গন্ধ দূর করার উপায় সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা পাম তেল থেকে কিভাবে আপনি দুর্গন্ধ দূর করবেন তা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।

  • পাম তেল থেকে গন্ধ দূর করার জন্য এর সাথে কিছু মসলা ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ এটিকে গরম করার সময় এর সাথে পেঁয়াজ, রসুন এবং আদা ব্যবহার করলে এর যে বিকট গন্ধ থাকে তাই এক কথায় দূর হয়ে যায়। এছাড়াও আপনারা পাম তেলকে কাপড়ের মাধ্যমে ছেঁকে নিয়ে এর গন্ধযুক্ত কোনগুলো আলাদা করে ফেলতে পারেন।
  • তাছাড়াও আপনারা এই তেলের সাথে লেবু অথবা ভিনেগার যদি আপনারা এতে মিস করে দেন। তাহলেও কিন্তু এর গন্ধগুলো দূর হয়ে যাবে। এছাড়াও আপনারা পাম তেলকে পরিশোধনের মাধ্যমে এর গন্ধ দূর করতে পারেন। এজন্য আপনাকে এই তেলকে তাপ দিতে হবে এবং সেই সাথে রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটিকে পরিশোধন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কেননা এটিকে গরম করার সময় এর থাকা গন্ধগুলো বাষ্প আকারে বের হয়ে যায়। যার ফলে এটি গন্ধ মুক্ত হয়।
  • তাছাড়াও আপনারা আরেকটি কাজ করতে পারেন। এর সাথে সুগন্ধি জাতীয় মসলাগুলো অর্থাৎ তেজপাতা, এলাচ এবং দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে আপনারা পাম তেল থেকে এর বিকট গন্ধ দূর করতে পারেন।

এছাড়াও আপনারা চাইলে উপরের আলোচনা থেকে পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।

লেখকের শেষ কথা  

আমরা উপরের আলোচনা থেকে পাম তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে এসেছি। এছাড়াও আপনারা আরো জানতে সক্ষম হয়েছি পাম তেল কিভাবে তৈরি হয় সেই সম্পর্কেও। পাম তেল বিভিন্ন প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেগুলো আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সঙ্গী। এগুলো ছাড়া আমরা চলতেই পারি না বললেই হয়।

প্রতিদিনের কাজে এগুলো আমাদের ব্যবহার করতে হয়। এছাড়াও পাম তেল খাওয়ার ফলেও নানা ধরনের উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হয়। আমি উপরের আলোচনায় পাম তেলের যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনারা যদি উপরের আলোচনাটি খুব মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন। তাহলে এর গুণাবলী গুলো জানতে সক্ষম হবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url