তরমুজের ১৮টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন
সূচিপত্রঃ তরমুজ খাওয়ার যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নিন
তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা
তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। তরমুজ নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর। তরমুজের যেমন ভালো দিক রয়েছে ঠিক তেমনি এর খারাপ দিকও রয়েছে। আজকের এই পর্বে আমরা তরমুজ খাওয়ার ফলে কি ধরনের উপকারিতা পাবেন এবং একই সাথে তরমুজের অপকারিতা গুলো কি তা আজকের এই পর্বে আপনাদের সামনে তুলে ধরব।
তরমুজের উপকারিতা গুলোঃ
- যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে। তারা চাইলে তরমুজ খেতে পারেন। এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে কাজ করে থাকে।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয়। আপনারা যখন ব্যায়াম করে ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তখন যদি তরমুজ খেতে পারেন তাহলে পুনরায় এনার্জি পাবেন।
- তরমুজ আমাদের দেহের পানি শূন্যতা দূর করতে ভূমিকা পালন করে থাকে।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে আমাদের ত্বক উজ্জ্বল ও টানটান দেখায়।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে আমাদের চোখ ভালো থাকে।
- যাদের রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। তারা নিয়মিত তরমুজ খেতে পারেন। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে ভূমিকা পালন করে থাকে।
- আমাদের শরীরের একটি প্রয়োজনীয় অংশ কিডনি। তরমুজ খাওয়ার ফলে কিডনি সুস্থ থাকে।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমে যায়। যার ফলে খুব সহজে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- আমাদের শরীরের বিভিন্ন ব্যথা নিরাময়েও টিস্যু সুরক্ষিত রাখতে তরমুজ অনেক বড় ভূমিকা রাখে।
- আমাদের দেহের স্নায়ু ও মাংসপেশী সুরক্ষিত রাখার জন্য তরমুজের কোন বিকল্প নেই।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে আমাদের দেহের হৃদযন্ত্রের রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হয়ে থাকে।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের হাড় মজবুত থাকে।
- তরমুজে লাইকোপেন নামে এক ধরনের উপাদান থাকে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার সৃষ্টি হওয়ার জন্য দায়ী কোষ গুলোকে ধ্বংস করতে কাজ করে থাকে।
- যাদের হাঁপানি সমস্যা রয়েছে। তারা চাইলে নিয়মিত তরমুজ খেতে পারেন। এটি এই রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে রোদের তীব্রতার হাত থেকে খুব সহজে মুক্তি পাবেন।
- আমাদের শরীরের যাবতীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে তরমুজ অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে এটি আমাদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে থাকে।
- তরমুজ খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
তরমুজের অপকারিতা গুলোঃ
তরমুজ একটি উপকারী ফল। যেটি খাওয়ার ফলে আমরা নানা প্রকার অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা পেয়ে থাকি। কিন্তু আপনি জানেন কি? এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে আমাদের দেহের নানা ক্ষতি হয়ে থাকে। এটি যদি আপনি প্রয়োজন অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন তবে আপনার ডায়াবেটিকস, পেটের নানা রোগ, অম্বল ও বদ হজমের সমস্যায় পরতে পারেন।
তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে ওভার-হাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেটি মোটেও ভালো কথা নয়। কেউ না এর ফলে আমাদের দেহের কিডনির সমস্যা হতে পারে। যেহেতু তরমুজে শর্করার পরিমাণ অনেক বেশি সেহেতু ডায়াবেটিস রোগীর জন্য এটি বেশি খাওয়া উচিত হবে না। তরমুজ অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এজন্য চেষ্টা করতে হবে প্রয়োজনের বেশি তরমুজ না খাওয়ার।
গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চেষ্টা করব গর্ভাবস্থায় একজন মা তরমুজ খাওয়ার ফলে কি ধরনের উপকারিতা পেতে পারে তা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার। গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার ফলে শিশুর হাড় ও দাঁত গঠনে এটি সাহায্য করে। কেননা এতে অধিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং পটাসিয়াম থাকে।
যার ফলে নবগত শিশুর হাড়ের উপযুক্ত বিকারের জন্য এই খনিজ উপাদান গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গর্ভাবস্থায় আপনি যদি আপনার খাদ্য তালিকায় তরমুজ যুক্ত করতে পারেন। তবে গর্ভাবস্থায় হওয়া না ধরনের সংক্রমণ থেকে মা ও শিশু দুজনের রক্ষা পেতে পারে। গর্ভাবস্থায় প্রথমদিকে বমি বমি ভাব দেখা দেয়। এ সমস্যা কাটিয়ে তোলার জন্য সকালে এক গ্লাস তরমুজের রস খেতে হবে। এতে করে এই সমস্যা খুব সহজে দূর হয়ে যাবে। গর্ভাবস্থায় গ্যাস, এসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়।
এই ক্ষেত্রে তরমুজ অনেক বেশি কাজ করে থাকে। তরমুজের ক্ষারীয় প্রকৃতি গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের পেটের অ্যাসিডিটি, গ্যাস সমস্যা দূর করতে অনেক বেশি ভূমিকা রাখে। তরমুজে ৯২% পানির উপস্থিতি থাকে। যার ফলে এটি হাইড্রেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গর্ভাবস্থায় সঠিক হাইড্রেশনের ফলে রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায় যে গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়া অনেক বেশি উপকারী।
তরমুজ খেলে কি ওজন বাড়ে
তরমুজ খেলে কি ওজন বাড়ে এ ধরনের প্রশ্ন আমরা প্রায় শুনতে পাই। আজকের এই পর্বে আমরা চেষ্টা করব তরমুজ খাওয়ার ফলে সত্যিই কি ওজন কমে না বাড়ে তা ভালোভাবে জেনে নেওয়ার। তরমুজ একটি উপকারী ফল। যা পুষ্টগুণে সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি রয়েছে। যার কারণে এটি আমাদের শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।
এছাড়াও তরমুজের ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। ১০০ গ্রাম তরমুজের মধ্যে মাত্র ৩ গ্রাম ক্যালরি রয়েছে। যা ধরতে গেলে অনেকটাই কম। তাহলে বুঝতেই পারছেন তরমুজ খাওয়ার ফলে ওজন বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এছাড়াও তরমুজ খাওয়ার ফলে অনেক পরিমাণ পানি দেহে প্রবেশ করে। যার ফলে ক্ষুধার পরিমাণ কম লাগে। তরমুজের এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বলা যায় যে তরমুজ খাওয়ার ফলে ওজন বাড়ে না বরং কমে থাকে।
তরমুজের পুষ্টি উপাদান
তরমুজের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা তরমুজের যাবতীয় পুষ্টি উপাদান গুলো সম্পর্কে এ টু জেড জেনা নেওয়ার চেষ্টা করব। আমরা এর আগেই জেনেছি তরমুজ নানা পুষ্টিগুনে ভরপুর। এই পুষ্টি উপাদান গুলো আমাদের শরীরের যাবতীয় রোগ দূর করতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। চলুন দেখে নেই সেই পুষ্টি উৎপাদন গুলোঃ
১০০ গ্রাম পাকা তরমুজে যেসব পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তা নিচে দেওয়া হলঃ
ক্যালসিয়াম রয়েছে ১০ মিলিগ্রাম, কার্বোহাইড্রেট রয়েছে ৩.৫
গ্রাম, ফসফরাস রয়েছে ১২ মিলিগ্রাম, ক্যালরি থাকে ১৫ থেকে ১৬
মিলিগ্রাম, আয়রন রয়েছে ৭.৯ মিলিগ্রাম, পানি রয়েছে ৯২ থেকে
৯৫ গ্রাম, খনিজ পদার্থ রয়েছে ০.২ গ্রাম, পটাশিয়াম রয়েছে ১১২
গ্রাম, ভিটামিন সি রয়েছে ১৩%, ভিটামিন বি৬ রয়েছে
০%, ভিটামিন ডি রয়েছে ০% ।
তরমুজ খেলে কি ডায়াবেটিস বাড়ে
তরমুজ খেলে কি ডায়াবেটিস বাড়ে এ সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা তরমুজ খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস কি বৃদ্ধি পায় এই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিব। বর্তমান সময়ে তরমুজ অনেক বেশি জনপ্রিয়। এটি তার সুস্বাদু স্বাদ এর জন্য অনেক বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। এটি বাজারে সব জায়গাতেই প্রায় পাওয়া যায়।
এতে নেমে আসতে পারে বিপদ। সকালে তরমুজ খাওয়ার জন্য সবচাইতে উপযুক্ত সময়। একটা জিনিস মাথায় রাখবেন পেট ভরা আছে অথবা ঘুমাতে যাচ্ছেন এই অবস্থায় তরমুজ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কেউ না এর ফলে রক্তের শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।
যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। তাই নিয়ম মেনে তরমুজ খাওয়ার চেষ্টা করুন। আশা করি উপকারিতা পাবেন। এছাড়াও আপনারা তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা এবং গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে উপরের আলোচনা থেকে জেনে নিতে পারেন।
তরমুজের খোসার উপকারিতা
তরমুজের খোসার উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা তরমুজের খোসা থেকে কি ধরনের উপকারিতা আপনি পেতে পারেন চলুন জেনে আসি। তরমুজ একটি উপকারী ফল হওয়ার কারণে এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক পরিমাণ কার্যকরী। আমরা সাধারণত বাজার থেকে তরমুজ কিনে এনে এর ভেতরের অংশ খাওয়ার পর এর খোসা ফেলে দিই।
যেটি মোটেও ভালো কথা নয়। তরমুজের খোসারও নানা উপকারিতা রয়েছে। যেমন ধরেন তরমুজের খোসাতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম থাকার কারণে এটি আমাদের শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সহায়তা করে থাকে। তরমুজের খোসাতে ভিটামিন সি থাকার কারণে এটি আমাদের শরীরের যাবতীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও তরমুজের খোসা ত্বকের যত্নে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে এক বড় ভূমিকা রাখে।
তরমুজের খোসায় জলীয় অংশের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। যার কারণে এটি আমাদের শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। এজন্য তরমুজ খাওয়ার পর তরমুজের খোসা না ফেলে তরকারি হিসেবে রান্না করে খেতে পারেন। উপরের আলোচনাতে আমি তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছি। যা আপনাদের জন্য উপকারিতা বয়ে আনবে।
তরমুজের খোসা দিয়ে রূপচর্চা
তরমুজের খোসা দিয়ে রূপচর্চা করার নিয়ম সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। এজন্য প্রথমে আপনাকে তরমুজের খোসা পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর খোসা গুলোকে কেটে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তারপর একটি আলো নিয়ে, তার খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এবার ছাঁকনি দিয়ে ব্লেন্ডার কৃত আলু ও তরমুজের খোসার রস বের করে নিতে হবে।
একটি পাত্রে তরমুজের রস দুই চামচ এবং আলুর রস দুই চামচ নিয়ে মিস করতে হবে। এরপর এ মিশ্রণটির সাথে চালের আটা দুই চামচ দিতে হবে। দিতে হবে লেবুর রস। আরো দিতে হবে ভিটামিন ই ক্যাপসুল একটি। সবগুলো উপকরণকে একসাথে মিশ্রিত করার পর তা ত্বকে দেওয়ার জন্য তৈরি। মিশ্রণটিকে ঘন করার জন্য চালের গুঁড়া একটু বেশি দিয়ে দিবেন। ত্বকে এবার মিশ্রণটি লাগিয়ে পাঁচ থেকে দশ মিনিট রাখবেন।
তারপর তরমুজের খোসা ও আলুর মিশ্রণটি অর্থাৎ যেটি থেকে রস বের করেছিলেন। সেটি দিয়ে যেখানে ফেসপ্যাকটি লাগালেন সেখানে বুঝতে থাকুন। দেখবেন ত্বকের যাবতীয় ময়লা বের হয়ে গেছে। এই ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করার ফলে ত্বকের দাগ, বলিরেখা খুব সহজে দূর হয়ে যাবে। উপরের আলোচনাতে তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। চাইলে জেনে নিতে পারেন।
তরমুজের বীজের উপকারিতা
তরমুজের বীজের উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। চলুন আজকের এই পর্বে আমরা তরমুজের বীজের উপকারিতা গুলো দেখে আসি। তরমুজ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সে সাথে এর বীজও আমাদের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে কাজ করে থাকে। এর উপকারিতা গুলো হলঃ
- তরমুজের বীজ হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে।
- তরমুজের বীজ ত্বক ও চুলের যত্নে অনেক উপকারী।
- তরমুজের বীজে ক্যালসিয়াম থাকার কারণে এটি আমাদের হাড়কে সুস্থ রাখে।
- তরমুজের বীজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে।
- তরমুজের বীজ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।
- তরমুজের বীজে এল-আরজিনাইন থাকে। যা নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
- তরমুজের বীজ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
- তরমুজের ভিজে প্রোটিন রয়েছে। যার কারণে এটির বীজ আপনার প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করে।
- তরমুজের বীজ রক্ত প্রবাহের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
তরমুজের বীজ খাওয়ার নিয়ম
তরমুজের বীজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা তরমুজের বীজ কিভাবে খেলে আপনার উপকারিতা হবে চলুন তা জেনে আসি। তরমুজের বীজ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আমরা সাধারণত তরমুজের বীজ তরমুজ খাওয়ার সাথে সাথেই খেয়ে ফেলি।
অনেকে আবার এটির বীজ ফেলে খায়। যেটি মোটেও ভালো কথা নয়। তরমুজের বীজ খাওয়ার ফলে আমাদের স্বাস্থ্যের অনেক উপকারিতা হয়। এটিকে আপনি তরমুজের সাথে না খেয়ে প্রথমে এটিকে তরমুজ থেকে বের করে ভেজে নিতে পারেন অথবা আপনি চাইলে রোদে শুকিয়ে এর বীজগুলোকে খেতে পারেন।
এভাবে খাওয়ার ফলে এর সঠিক পুষ্টিগুণ গুলো আপনি খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। এছাড়াও তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে উপরের আলোচনাতে আলোচনা করা হয়েছে। চাইলে জেনে আসতে পারেন।
রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url