বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয় সম্পর্কে অবাক করা তথ্য জানুন

বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয় কি তা আপনাদের জেনে নেওয়া অনেক বেশি জরুরী। কেননা নিউমোনিয়া একটি ঘাতক ব্যাধি রোগ। যেটি হওয়ার ফলে মৃত্যুর ঝুঁকিও রয়েছে। তাই এটি প্রতিরোধ করার উপায় জানা দরকার।

বড়দের-নিউমোনিয়া-হলে-করণীয়
বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয় কি তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের দেওয়া লেখাগুলো খুব যত্ন সহকারে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই কেবলমাত্র নিউমোনিয়া প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে এ টু জেড জেনে নিতে পারবেন।

সূচিপত্রঃ নিউমোনিয়া রোগের যাবতীয় প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নিন 

নিউমোনিয়া কি

নিউমোনিয়া কি এই সম্পর্কে আপনাদের প্রথমে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। আমাদের শরীরের ফুসফুসের প্রদাহজনিত একটি রোগের নাম হচ্ছে নিউমোনিয়া। এ রোগটি হওয়ার পেছনে ভাইরাস, ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দায়ী। আমাদের এই ভূখণ্ডে লাখ লাখ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। 

সাধারণত শীতকালীন ঋতুতে নিউমোনিয়া রোগটি বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে বেশি হতে দেখা যায়। এ রোগটির জন্য সঠিক চিকিৎসা করা না হলে মৃত্যুর ঝুঁকিও হতে পারে। কেননা এ রোগটি হওয়ার কারণে বায়ুর থলিতে পুঁজ বা তরল আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়াও এর রোগটি হওয়ার ফলে শ্বাস নিতে অনেক সমস্যা হয়, জ্বর, ঠান্ডা, কাশি হতে দেখা যায়। তাই এ রোগ থেকে মুক্তির সবচাইতে ভালো উপায় হল এইসব ভাইরাসের বিরুদ্ধে উপযুক্ত টিকা গ্রহণ করা। সেই সাথে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এর জন্য সঠিক চিকিৎসা নেওয়া।

বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয়

বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয় কি এ সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্ব থেকে বড়দের নিউমেনিয়া হলে কি ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত তা সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করব। নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের প্রদাহজনিত রোগ। এ রোগটি হলে বড়দের যেসব পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিত তা নিচে দেওয়া হলঃ

  • গরমকালে ঘেমে যাওয়ার ফলে সেই ঘাম ভিজে বুকে যাতে ঠান্ডা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় নাক মুখ ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
  • হাঁচি কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। টিস্যু ব্যবহার করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার চেষ্টা করতে হবে।
  • যেহেতু নিউমোনিয়া রোগটি ছোঁয়াচে। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে।
  • সাবান দিয়ে হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।
  • পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজি ও ফলমূল এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে।
  • মাস্ক ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।
  • জীবনযাপন যাতে স্বাস্থ্যসম্মত হয় সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
  • ধূমপান এবং দূষণ মুক্ত পরিবেশে থাকার চেষ্টা করতে হবে।
  • শীতকালে অথবা বর্ষাকালে যাতে ঠান্ডা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • নিউমোনিয়া রোগের জন্য টিকা দেওয়া অনেক বেশি জরুরী।
  • নিয়মিত হাঁটাচলা করার চেষ্টা করতে হবে।
  • বয়স্ক ব্যক্তিদের তাড়াহুড়া করে খাওয়ানো থেকে বিরত থাকবেন।
  • শুয়ে থাকা অবস্থায় বয়স্ক ব্যক্তিদের খাবার খাওয়াবেন না।
  • সুষম ও ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে।
  • ধোঁয়া এবং ধুলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে।

নিউমোনিয়া হলে কি খাবার খেতে হবে

নিউমোনিয়া হলে কি খাবার খেতে হবে এই সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব নিউমোনিয়া রোগটি যদি হয় তাহলে এই সময় আপনার কি ধরনের খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন তা সম্পর্কে।

নিউমোনিয়া রোগটি আমাদের ফুসফুসের প্রদাহজনিত একটি রোগ। এই রোগটি শিশু এবং বয়স্কদের সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। নিউমোনিয়া হলে কিছু বিশেষ খাবার গ্রহণ করা জরুরি। চলুন সেই খাবার গুলো দেখে আসি।

হলুদঃ নিউমোনিয়া হলে হলুদের গুঁড়া মিশ্রিত চা খেতে পারেন। এটি খাওয়ার ফলে নিউমোনিয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া অনেকটাই সম্ভব হবে। কেনোনা এতে থাকা ইনফ্লেমেটরি গুণ আপনার নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

লেবুঃ নিউমোনিয়া রোগ প্রতিরোধ করার জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়া অনেক বেশি জরুরী। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। যা নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করার জন্য অনেক বেশি কার্যকরী।

আদাঃ এটি খাওয়ার ফলে নিউমোনিয়া হওয়ার জন্য যে জীবাণুগুলো দায়ী তাদের বিরুদ্ধে এটি প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে সাহায্য করে। অনেক সময় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ফলে বুকে ব্যথা করতে পারে। এই সময় আপনি আদা চা খেতে পারেন। তাহলে খুব সহজে আরাম পাবেন।

পানিঃ নিউমোনিয়া হলে প্রচুর পানি খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এটি খাওয়ার ফলে শরীর থেকে যত ধরনের ক্ষতিকর টক্সিন উপাদান রয়েছে তা খুব সহজে বের হয়ে যায়।

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারঃ নিউমোনিয়া হলে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এই খাবারগুলো খাওয়ার ফলে নিউমোনিয়া থেকে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে রক্ষা পাওয়া যায়।

শাকসবজিঃ নিউমোনিয়া হলে শীতকালীন শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। যেমনঃ লাল শাক, কলমি শাক, পালং শাক ইত্যাদি। এগুলো নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলে।

হাইড্রেশনঃ নিউমোনিয়া রোগের সাথে লড়াই করার জন্য শরীরে হাইড্রেশন অনেক বেশি প্রয়োজন। এটি বজায় থাকলে যেকোনো রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়। তাই নিউমোনিয়া হলে ভেষজ চা গ্রহণের চেষ্টা করবেন।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টঃ নিউমোনিয়া হলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবারগুলো এটি প্রতিরোধে অনেক বেশি কাজ করে থাকে। তাই ডিম, মাছ, মাংস, দুধ ইত্যাদি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার গুলো গ্রহণের চেষ্টা করবেন।

শিশুর নিউমোনিয়ার চিকিৎসা

শিশুর নিউমোনিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা শিশুদের নিউমোনিয়ার হাত থেকে বেঁচে থাকার জন্য কি ধরনের চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রয়োজন তা সম্পর্কে আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব।

নিউমোনিয়া রোগটি শিশুদের ক্ষেত্রেই অনেক বেশি হয়ে থাকে। তাই এই রোগের চিকিৎসা করা অনেক বেশি জরুরী। এজন্য সঠিকভাবে শিশুদের রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা করতে হবে। তাহলেই একজন শিশু নিউমোনিয়া থেকে খুব সহজেই বাঁচতে পারবে। চলুন এবার চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো দেখে আসি।

  • শিশু খেতে পারলে বাড়িতেই চিকিৎসা করতে হবে।
  • শিশু খেতে না পারলে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।
  • শিশুকে বুকের দুধ ও সুষম খাবার দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
  • ঘরের দরজা-জানালা খুলে রাখতে হবে। যাতে পর্যাপ্ত আলো বাতাস আসে।
  • শিশুর সামনে ধূমপান করা যাবে না।
  • বেশি কাশি হলে লেবুলাইজ করতে হবে।
  • শিশুর সামনে রান্না করা যাবে না।
  • নিউমোনিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় টিকা দিতে হবে।
  • শিশুকে বারবার মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে।
  • শিশুকে প্রতিদিন কুসুম গরম করা পানি দিয়ে গোসল করার ব্যবস্থা করতে হবে।

শিশুর নিউমোনিয়া হলে উপরে নিদর্শনগুলো মানার চেষ্টা করুন। সেই সাথে উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করবেন।

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এ পর্বে আমরা একজন ব্যক্তির মধ্যে কি কি লক্ষণ দেখলে বুঝবো যে তার নিউমোনিয়া হয়েছে চলুন তা জেনে আসি। নিউমোনিয়া হলে একজন ব্যক্তির মধ্যে নিচের এ ধরনের লক্ষণ গুলো দেখা যাবে।

নিউমোনিয়া-রোগের-লক্ষণ

  • নিউমোনিয়া হলে খাবার হওয়ার প্রতি অরুচি ভাব জন্মে।
  • শিড়াই ফ্যাকাসে নীল দাগ দেখা যায়।
  • তিন সপ্তাহ ধরে টানা কাশি হয়।
  • কাশি যখন হয় তখন তার সাথে রক্ত পড়ে।
  • শ্বাস নিতে গেলে কষ্ট হয়।
  • বুকে ব্যথার অনুভব হয়।
  • ক্লান্তি ভাব দেখা যায়।
  • দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস হয়।
  • ঘাম হয় এবং ঠান্ডা লাগে।
  • উচ্চ জ্বর হয়ে থাকে।
  • দ্রুত-হৃদস্পন্দন দেখা দেই।

একজন নিউমোনিয়া আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে এ ধরনের লক্ষণগুলো দেখা যায়। এ ধরনের লক্ষণগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন যে ব্যাক্তিটি নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত।

নিউমোনিয়া রোগের কারণ কি

নিউমোনিয়া রোগের কারণ কি এ সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা নিউমোনিয়া রোগটি কিসের কারণে হয়ে থাকে তা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। নিউমোনিয়া রোগটি বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। এই কারণগুলো কি তা কিন্তু আমাদের জানা অতীব জরুরী। চলুন জেনে নেয়া যাক।

  • নিউমোকোকাল রোগের কারণে নিউমোনিয়া হয়ে থাকে।
  • ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি প্রজাতির কারণে নিউমোনিয়া হতে দেখা যায়।

এছাড়াও উপরের আলোচনাতে বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয় এবং নিউমোনিয়া কি তা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আপনারা চাইলে জেনে আসতে পারেন।

নিউমোনিয়া রোগের প্রতিকার

নিউমোনিয়া রোগের প্রতিকার সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে নিউমোনিয়া হলে এখান থেকে কিভাবে উদ্ধার হবেন তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। বর্তমান সময়ে নিউমোনিয়া একটি ঘাতক ব্যাধি রোগ। এ রোগটির সঠিক চিকিৎসা না হলে মৃত্যুর ঝুঁকিও রয়েছে। তাই এই রোগের হাত থেকে বাঁচার জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি জানা দরকার। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

  • ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা গ্রহণ করতে হবে।
  • ধূমপান ত্যাগ করতে হবে এবং সেকেন্ড হ্যান্ড ধূমপানের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।
  • স্বাস্থ্যবিধে মেনে চলতে হবে। খাওয়ার আগে এবং খাওয়ার পরিচালনা করার আগে সাবান দিয়ে হাত ধরতে হবে।
  • অ্যালকোহল পান করা বন্ধ করতে হবে।
  • উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণের চেষ্টা করতে হবে।
  • পুষ্টিকর খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • নিউমোনিয়া হয়েছে মনে হলে এক্সরে করবেন।
  • বায়ু দূষণ এবং দূষিত এলাকা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে।
  • পুষ্টিকর এবং সুষম খাবার খাদ্য তালিকায় যোগ করতে হবে।
  • নিউমোনিয়া হলে গরম খাবার ও গরম জাতীয় তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
  • মেথি চা খেতে পারেন। এতে শরীর থেকে ঘাম ঝরে শরীর ঠান্ডা থাকবে।
  • আদা চা নিউমোনিয়ার লক্ষণ গুলো কমিয়ে শরীরকে হাইড্রেট করতে ভূমিকা রাখে। তাই এটি খেতে পারেন।
  • নিউমোনিয়ায় শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করার জন্য কফি খেতে পারেন।

নিউমোনিয়া কেন হয়

নিউমোনিয়া কেন হয় এ সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব নিউমোনিয়ার কিসের জন্য হয়ে থাকে সে সম্পর্কে। নিউমোনিয়া আমাদের শরীরের ফুসফুসের প্রদাহজনিত একটি রোগের নাম। এ রোগটি বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণের ফলে হয়ে থাকে। এ রোগটি সাধারণত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং টিবির জীবাণু থেকে ছড়িয়ে থাকে।

নিউমোনিয়া-কেন-হয়
বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় ৬৭ জন শিশু এ রোগ হওয়ার কারণে মৃত্যুবরণ করছে। এ রোগটি হলে শ্বাসযন্ত্রের তীব্র সংক্রমণ করে। আর এর ফলে ফুসফুস আক্রান্ত হয়ে থাকে। যার কারণে নিউমোনিয়া হয়ে থাকে। উপরের আলোচনা থেকে বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয় কি তা জেনে আসতে পারেন।

নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা

নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্ব থেকে নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে আক্রান্ত রোগীকে হসপিটালে ভর্তি করতে হবে। এরপর রোগীর জ্বরের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে দেখতে হবে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের হার যাতে ঠিক থাকে এজন্য প্রয়োজন হলে অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও হসপিটালে ভর্তি করার পর অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগ করা লাগবে তাছাড়াও কস মেডিসিন ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। যে সব রোগীরা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রয়েছেল তাদের প্রচুর পরিমাণে বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।

এছাড়াও এই সময় বেশি করে তরল পান করার চেষ্টা করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যেসব ওষুধ খাওয়া দরকার। তা ঠিকমতো খেতে হবে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে জলশূন্যতা দেখা দিলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি করার চেষ্টা করতে হবে। উপরের আলোচনাতে বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

লেখকের শেষ কথা

উপরের আলোচনা থেকে বড়দের নিউমোনিয়া হলে করণীয় কি তা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে এসেছি। এছাড়াও আরো জানতে সক্ষম হয়েছি নিউমোনিয়া কি এই সম্পর্কেও। উপরের আলোচনাতে নিউমোনিয়া হওয়ার কারণ কি, কিসের কারণে হতে পারে তা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও উপরের আলোচনাতে নিউমোনিয়া হওয়ার ফলে কি ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।

তা সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়েছে। নিউমোনিয়া একটি ঘাতক ব্যাধি রোধ। যেটি মোকাবেলা করা অনেক বেশি জরুরী। এটি হলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সেই সাথে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে রয়েছে। সেগুলো অবলম্বন করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে। আশা করছি উপরের আলোচনাটি পড়ার মাধ্যমে আপনারা উপকৃত হতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url