এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের ১৫টি উপকারিতা সম্পর্কে জানুন

এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আপনাদের জেনে নেওয়া উচিত। কেননা এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী । এতে থাকা নানা পুষ্টি উপাদান শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

এক্সট্রা-ভার্জিন-নারিকেল-তেলের-উপকারিতা
এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের লেখাগুলো খুব যত্ন সহকারে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই কেবলমাত্র এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন।

সূচিপত্রঃ নারিকেল তেলের যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের উপকারিতা

এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেলের যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল খাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। যার কারণে এই তেলের নাম এক্সট্রা ভার্জিন। এই তেল খাওয়ার ফলে আমাদের দেহের নানা উপকারিতা হয়ে থাকে। চলুন সেগুলো দেখে নেয়া যাক-

  1. রান্নায় নারিকেল তেল খাওয়ার ফলে আমাদের হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়।
  2. নারিকেল তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য থাকায় এটি মৃগীরোগের ওষুধ হিসেবে ভূমিকা রাখে।
  3. এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে। সেই সাথে এটি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল যোগান দিতে সাহায্য করে।
  4. নারিকেল তেলে পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড থাকার কারণে এটি হৃদরোগের হাত থেকে মোকাবেলা করে থাকে।
  5. নারকেল তেলে ক্যাপ্রিলিক এসিড, ক্যাপ্রিক এসিড, লৌরিক এসিড থাকার কারণে এই এসিড গুলোর এন্ডটিমাইক্রোবিয়াল কার্যকলাপ আমাদের শরীরে হওয়া নানা রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।
  6. নারকেল তেলে প্রদাহবিরোধী এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল প্রভাব রয়েছে। যা আমাদের দাঁতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে কাজ করে থাকে।
  7. নারিকেল তেল এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে এটি আমাদের হাড়কে সুরক্ষিত রাখতে কাজ করে থাকে।
  8. নারকেল তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এন্ডটিইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা বাতের জন্য অনেক বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে।
  9. নারকেল তেলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য আমাদের দেহের কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।
  10. গর্ভাবস্থায় পেটের চামড়া অনেক সময় ফেটে যায়। যার কারণে এই জায়গায় দাগ পড়ে। আপনি যদি এই সময় নারকেল তেল প্রতিদিন দাগ পড়া জায়গায় মালিশ করতে পারেন। তবে আপনার এ দাগগুলো দূর হয়ে যাবে।
  11. আমাদের দেহের কোন অংশ পুড়ে গেলে সেই জায়গায় যদি আপনি পুড়া জায়গায় আগে ভালোভাবে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে যদি আপনি নারকেল তেল লাগাতে পারেন তবে জ্বালাপোড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
  12. যারা নিয়মিত নারকেল তেল খাই তারা অনেক বেশি সুস্থ থাকে।
  13. এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল ক্ষুধা ও ফুড ডিপ্রেশন করার ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  14. এটি মেকআপ রিমুভার হিসেবে কাজ করে থাকে।
  15. আমাদের ত্বক ও চুল সুন্দর রাখতে এটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

ত্বকে নারিকেল তেলের উপকারিতা

ত্বকে নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চেষ্টা করব ত্বকের জন্য নারকেল তেল কিভাবে ভূমিকা রাখে তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার। নারিকেল তেল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এ তেল ব্যবহার করার ফলে আমাদের ত্বকের যাবতীয় দাগ খুব সহজে দূর হয়ে থাকে।

এছাড়াও এই তেল নিয়মিত ব্যবহারের ফলে বয়স হওয়ার আগে শরীরে বয়সের ছাপ দূর করতে এই তেল ভূমিকা রাখে। নারিকেল তেল আমাদের ত্বকের ভিতরে প্রবেশ করে আমাদের ত্বককে দীর্ঘ সময় ধরে আদ্র রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও এই তেল  অন্যান্য তেলের তুলনায় ত্বকের জন্য অনেক বেশি কাজ করে থাকে।

এই তেল শীতের সময় সারা শরীরে মশ্চারাইজ করুন। দেখবেন ত্বকের খসখসে ভাব দূর হবে, ত্বকের জেল্লা ফিরবে এবং নিষ্প্রাণ ত্বকের সমস্যা দূর করতে নারিকেল তেল কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্যারাসুট নারিকেল তেলের উপকারিতা

প্যারাসুট নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা অনেক বেশি প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা প্যারাসুট নারিকেল তেলের যাবতীয় গুণাবলী আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। এই তেলটি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে এটি অনেক বেশি চুলকে পুষ্টি যোগিয়ে থাকে। 

এছাড়াও এই তেল চুলের বৃদ্ধিকে প্রসারিত করতে কাজ করে থাকে। প্যারাসুট নারিকেল তেলে ভিটামিন ই এবং ভিটামিন কে রয়েছে। যেটি চুলের ভাঙ্গা প্রতিরোধ করতে ভূমিকা পালন করে থাকে। এ তেল ব্যবহার করার ফলে চুলের শুষ্কতা ও কুঁচকে যাওয়া দূর করতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও চুলকে চকচকে এবং মজবুত করতে অনেক বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে। এই তেলে এন্টিফাঙ্গাল এবং এন্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

যার কারণে এটি তুলে যাবতীয় ক্ষতি থেকে রক্ষা করে থাকে। এই তেল ব্যবহার করার ফলে চুলের রুক্ষ, নির্জীব ভাব খুব সহজে দূর হয়ে যাবে। উপরের আলোচনাতে এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের উপকারিতা এবং ত্বকে নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। চাইলে জেনে নিতে পারেন।

চুলে নারিকেল তেলের উপকারিতা

চুলে নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা নারকেল তেল চুলের জন্য কতটুকু উপকারী তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব। নারকেল তেলে থাকা লিউরিক অ্যাসিড এবং স্যাচুরেটেড চুলের জেল্লা এবং চুল ঝরে যাওয়া প্রতিরোধ করতে ভূমিকা রাখে।

এই তেল ব্যবহার করার ফলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায়, চুলের ডগা ফেটে যাওয়া প্রতিরোধ করে এবং একই সাথে চুলের স্কাল্পে রক্ত চলাচল বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও নারিকেল তেল ব্যবহারের ফলে চুলের আদ্রতা বজায় থাকে। নারকেল তেল ব্যবহার করার ফলে রোদে পুড়ে নিষ্প্রাণ চুলকে পুনরায় সতেজ করতে এটি ভূমিকা রাখে। এছাড়াও নারিকেল আপনার চুলকে খুশকি মুক্ত করতে ভূমিকা রাখবে।

কেননা নারকেল তেলে রয়েছে এন্টি ম্যাক্রোবিয়াল উপাদান যেটি আমাদের চুলের অসহনীয় খুশকি দূর করতে ভূমিকা পালন করে থাকে। এসব উপকারিতা একসঙ্গে পাওয়ার জন্য চুলকে প্রথমে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এরপর নারকেল তেল গরম করে চুলের স্কাল্পে মাসাজ করুন। নিয়মিত এভাবে মেসেজ করার ফলে আপনার চুলের উজ্জ্বলতা এবং জেল্লা ফিরে আসবে।

নারকেল তেল দিয়ে রূপচর্চা

নারকেল তেল দিয়ে রূপচর্চা কিভাবে করতে হয় তা আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চেষ্টা করব নারকেল তেলকে ব্যবহার করে কিভাবে রূপচর্চা করা যায় তা আপনাদের জানিয়ে দেওয়ার। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটা বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে ত্বকে নারিকেল তেল লাগাতে পারেন। দেখবেন এর ফলে ত্বকের সমস্ত কালো দাগ উঠে গিয়ে ভেতর থেকে উজ্জ্বল, কোমল ও মসৃণ হবে।

নারকেল-তেল-দিয়ে-রূপচর্চা
এজন্য প্রথমে আমাদের একটি পাত্রে এক চামচ প্যারাসুট নারিকেল তেল নিয়ে নিতে হবে। এরপর এর সাথে এক চামচ আলুর রস দিয়ে দিতে হবে। কেননা আলুর রসের ভেতর এক ধরনের ক্যাটাকল নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে। যেটি আমাদের ত্বক থেকে যেকোনো ধরনের দাগ ছোপকে তুলে ফেলতে পারে। এরপর আরও একটি উপকরণ এর সাথে মিস করতে হবে সেটি হল হলুদের গুঁড়া।

এবার তিনটি উপকরণকে একসাথে মিশ্রিত করার পর রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকে ভালোভাবে লাগিয়ে দিন। এরপর সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন সাত দিনে আপনার ত্বকের যাবতীয় দাগ দূর হয়ে যাবে। এই উপকরণটি আপনি চাইলে ফ্রিজে তিন থেকে চার দিন সংরক্ষণ করেও ব্যবহার করতে পারেন।

নারিকেল তেল খাওয়ার নিয়ম

নারিকেল তেল খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চেষ্টা করব নারকেল তেল কিভাবে খেলে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হয় তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার। নিয়ম মেনে নারকেল তেল খাওয়া হলে মিলবে নানা উপকারিতা। আপনি যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে নারিকেল তেল খেয়ে ফেলেন তবে সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়ে যাবেন।

সকালে নারিকেল তেল খাওয়ার একটি বড় সুবিধা হল এটি আপনার ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে থাকবে। যার ফলে আপনি খুব একটা বেশি খাবেন না। এর ফলে আপনার শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়াও নিয়মিত নারকেল তেল খাওয়ার ফলে হজমের যাবতীয় সমস্যা খুব সহজেই দূর হবে। কেননা নারকেল তেলে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান।

যেটি আমাদের হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে ভূমিকা রাখে। এই তেল খাওয়ার ফলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়ে থাকে। এছাড়াও এই তেলে ক্যালসিয়াম থাকার কারণে এটি আমাদের হাড় সুরক্ষিত রাখে। আমাদের শরীরে যতটুকু ক্যালোরি প্রয়োজন হয় তার দশ ভাগের এক ভাগ নারকেল তেল খাওয়ার ফলে পূরণ হয়ে থাকে। নারিকেল তেল নিয়মিত খাওয়ার ফলে গ্লুকোজের সহনশীলতা উন্নত হয়।

যার কারণে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা এটি খাওয়ার হলে ভালো থাকে। এছাড়াও উপরে আলোচনাতে এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। চাইলে জেনে নিতে পারেন।

নারিকেল তেল মুখে দিলে কি ক্ষতি হয়

নারিকেল তেল মুখে দিলে কি ক্ষতি হয় এ সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চেষ্টা করব নারিকেল তেল মুখে দেওয়ার ফলে কি ধরনের ক্ষতি হতে পারে তা জেনে নেওয়ার। নারিকেল তেল একটি উপকারী তেল। এটি আমাদের ত্বকের নানা উপকারে ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে এই তেল আমাদের মুখে মাখলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলুন তা দেখে আসি।

নারকেল তেল মুখে মাখার ফলে আমাদের মুখ প্রাই সবসময়ই তেলতেলে ভাব হয়ে থাকে। যার ফলে মুখে সহজে ধুলাবালি লেগে থেকে যায় এবং এর ফলে মুখ আঠালো হয়ে যায়। আর এ ধরনের সমস্যার কারণে মুখে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আমাদের মধ্যে এমন অনেকে আছে যারা নারকেল তেল মুখে লাগানোর ফলে মুখে লোমের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

নারিকেল তেল মুখে ব্যবহারের ফলে অনেকের ক্ষেত্রে র‌্যাশ, লালচে ভাব এবং এলার্জি দেখা দিতে পারে। এজন্য এ ধরনের সমস্যাগুলো যাদের ভিতর দেখা যাবে তারা নারকেল তেল ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকবেন।

নারকেল তেল ও লেবুর রসের ব্যবহার

নারকেল তেল ও লেবুর রসের ব্যবহার সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকে আমরা চেষ্টা করব নারকেল তেল ও লেবুর রস কিভাবে ব্যবহার করলে আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারিতা বয়ে আনবে তা সম্পর্কে জেনে নেওয়ার। নারিকেল তেল ও লেবুর রস ব্যবহার করার একটি বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে। যেই পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনি উপকারিতা পেতে পারেন।

নারকেল-তেল-ও-লেবুর-রসের-ব্যবহার
এজন্য প্রথমে আপনাকে দশ ড্রপ লেবু এবং দুই চামচ নারকেল তেল নিতে হবে। এরপর দুইটি উপকরণকে একসাথে মিশ্রিত করুন। তারপর তুলো নিয়ে নিন। এরপর আপনি মিশ্রণটি তুলে দিয়ে আপনার ত্বকে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। এরপর ১৫ থেকে ২০ মিনিট এভাবে রেখে দিন। এরপর তা উষ্ণ ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

দেখবেন ত্বকের যাবতীয় সমস্যাগুলো খুব সহজে দূর হয়ে গেছে। তাই আপনি এই ট্রিক্সসটি অবলম্বন করতে পারেন। উপরের আলোচনাতে এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তাহলে জেনে নিতে পারেন।

খাওয়ার জন্য নারিকেল তেল তৈরি

খাওয়ার জন্য নারিকেল তেল আপনি ঘরে বসেই তৈরি করতে পারেন। এজন্য প্রথমে আপনাকে বাজার থেকে নারকেল কিনে এনে নারকেলটি কুড়িয়ে নিতে হবে। কুড়িয়ে নেওয়া নারিকেল গুলো এবার ব্লেন্ডারে দিয়ে দুই কাপ কুসুম গরম পানি দিতে হবে। এরপর ব্লেন্ড করে নিয়ে তা সাদা কাপড়ের মাধ্যমে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হবে।

ছেঁকে নেওয়ার পর যে অংশটুকু থাকবে তা আবার ব্লেন্ডারে দিয়ে তাতে এক কাপ কুসুম গরম পানি দিয়ে একইভাবে ছেঁকে নিতে হবে। এভাবে তিনবার ছেঁকে নিতে হবে প্রথমে ব্লেন্ডারে দেয়ার সময় দুই কাপ কুসুম গরম পানি, দ্বিতীয়বার এক কাপ কুসুম গরম পানি এবং তৃতীয়বার আধা কাপ কুসুম গরম পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে সাদা কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিতে হবে।

এরপর পুরো নারিকেলের দুধটুকুকে একটি পাত্রে দিয়ে ৩০ মিনিট জাল করে নিতে হবে। দেখবেন এরপর নারকেলের দুধটুকু থেকে তেল বেরিয়ে আসছে। তখন ছাঁকনির মাধ্যমে তা ছেঁকে নিবেন। এভাবে বাড়িতে বসে খুব সহজে খাওয়ার জন্য নারিকেল তেল তৈরি করতে পারেন। এছাড়াও এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা উপরের আলোচনা থেকে জেনে নিতে পারেন।

লেখকের শেষ কথা

উপরে আলোচনা থেকে আমরা এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে এসেছি। আমরা আরো জানতে সক্ষম হয়েছি ত্বকে নারিকেল তেলের উপকারিতা সম্পর্কেও। নারিকেল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারিতা বয়ে আনে। নিয়ম মেনে নারিকেল তেল ব্যবহার করার ফলে মিলবে চুল, ত্বকের যাবতীয় সমস্যার সমাধান।

আপনি চাইলে এ তেল ঘরে বসে খাওয়ার জন্যও তৈরি করে নিতে পারেন। এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল মূলত খাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। এই তেল খাওয়ার ফলে আমরা নানা প্রকার অসুখ-বিসুখ থেকে মুক্তি পেয়ে থাকি। আশা করছি উপরের আলোচনাটি পড়ার মাধ্যমে আপনারা উপকৃত হতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url