বেল খাওয়ার ১৭টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনাদের জেনে নেওয়া প্রয়োজন। বেল একটি স্বাস্থ্যসম্মত ফল। এ ফলটি খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের নানা ধরনের সমস্যার হাত থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়।

বেল-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-অপকারিতা
বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে হলে নিচের দেওয়া লেখাগুলো খুব যত্ন সহকারে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই কেবলমাত্র বেলের যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে এ টু জেড জানতে পারবেন।

সূচিপত্রঃ বেলের যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নিন

বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা বেল খাওয়ার যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে আপনাদের জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। বেল একটি উপকারী ফল। এ ফলটি নানাগুনে সমৃদ্ধ। এই ফলটির আবার কিছু খারাপ দিক রয়েছে। তাই চলুন বেলের যাবতীয় ভালো দিক এবং খারাপ দিক গুলো দেখে আসি।

বেলের উপকারিতা গুলোঃ
  1. বেল খাওয়ার ফলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে।
  2. বেলে অ্যান্টি প্রলেফিরেটিভ ও অ্যান্টি মুটাজেন। যেটি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।
  3. ১০০ গ্রাম বেল খাওয়ার ফলে ১৪০ গ্রাম এনার্জি পাওয়া যায়। তাই প্রয়োজনীয় এনার্জির জন্য বেল খেতে পারেন।
  4. যাদের আর্থ্রারাইটিসের সমস্যা রয়েছে। তারা নিয়মিত বেল খেতে পারেন। এটি এই সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে।
  5. পাকা বেল খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে।
  6. পাকা বেলে রয়েছে ফাইবার। যেটি আলসারের সমস্যাই ভূমিকা পালন করে।
  7. পেট পরিষ্কার ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে বেল অত্যন্ত কার্যকরী।
  8. গরমের সময় আপনি যদি বেলের শরবত খেতে পারেন। তবে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবেন।
  9. বেলে রয়েছে ভিটামিন এ। যেটি আমাদের চোখের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে ভূমিকা পালন করে।
  10. বেলে থাকা বিটাক্যারোটিন আমাদের শরীরের টিউমারের কোষকে ধ্বংস করতে সহায়তা করে থাকে।
  11. আপনি যদি প্রতিদিন বেল খেতে পারেন তবে আপনার ত্বকের হওয়া ব্রণ দূর হবে এবং ত্বক হবে মসৃণ, কমল এবং উজ্জ্বল।
  12. বেলে অধিক মাত্রায় এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে এটি দীর্ঘদিন যাবত হওয়া রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে থাকে।
  13. পাইলস, এনাল ফিস্টুলা ইত্যাদি রোগ গুলো যেগুলো সাধারণত মলদ্বারের রোগ হয়েছে পরিচিত। এই রোগ গুলো দূর করতে বেল অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।
  14. বেলে রয়েছে ভিটামিন সি। যেটি স্কার্ভি ভিটামিন সি জাতীয় রোগের সমস্যার ভূমিকা রাখে।
  15. বেলে এন্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকার কারণে এটি খাওয়ার ফলে যক্ষা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  16. কোন কাজ করার পর শরীর ক্লান্ত হয়ে এলে বেলের শরবত খেতে পারেন। এটি মানসিক প্রশান্তি দিতে অত্যন্ত কার্যকরী।
  17. বেল খাওয়ার ফলে ঠান্ডা জাতীয় সমস্যা দূর হয়ে থাকে।
বেলের অপকারিতা গুলোঃ
বেল একটি উপকারী ফল। এই ফলটি আমরা খাওয়ার ফলে নানা ধরনের উপকারিতা পেয়ে থাকি। একটা জিনিস মাথায় রাখবেন কোন জিনিসই বেশি খাওয়া ঠিক নয়। বেশি খেলেই বাড়তে পারে বিপদ। বেল তার ব্যতিকম নয়। বেল অনেক মিষ্টি জাতীয় একটি ফল। এ ফলটির পরিণাম মত খাওয়ার ফলে নানা প্রকার অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

আরো পড়ুনঃ আপেলের ১৬টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন  


কিন্তু এই ফলটি আপনি যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিক আক্রান্ত তাদের জন্য এটি অনেক বড় সমস্যার কারণ হবে। এর কারণ হলো বেল এমনিতেই অনেক মিষ্টি। এটি অতিরিক্ত খেলে অনেক মিষ্টি দেহে প্রবেশ করে। সুগার লেভেল অনেক বেড়ে যায়। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর।

এছাড়াও অতিরিক্ত পরিমাণে বেল খাওয়ার ফলে গ্যাস, বদহজম, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। তাই পরিমাপ মত বেল খাওয়ার চেষ্টা করুন। তাহলে এর যাবতীয় গুনাগুন গুলো খুব সহজে পেয়ে যাবেন।

গর্ভাবস্থায় বেল খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় বেল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা চেষ্টা করব একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য বেল খাওয়া কতটুকু উপকারী তা সম্পর্কে। একজন গর্ভবতী হিসেবে আপনি যেমন তেমন খাবার খেতে পারেন না। কারণ এ সময়ে যে খাবারগুলো আপনার জন্য প্রয়োজন এবং উপকারী।

সেই খাবারগুলো আপনাকে খেতে হবে। এ সময়ে প্রয়োজনীয় খাবার গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বেল। গর্ভাবস্থায় বেল খাওয়ার ফলে রক্ত খুব দ্রুত প্রবাহিত হয় এবং রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। একজন গর্ভবতী মা গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিকস আক্রান্ত থাকতে পারে অথবা এই অবস্থায় ডায়াবেটিস হতে পারে। তাই এই সময় বেল খাওয়া অনেক বেশি জরুরী।

বেলে থাকা ম্যাথানল সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। যার ফলে ডায়াবেটিকস এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও বেল খাওয়ার ফলে নবাগত শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ দ্রুত ত্বরান্বিত হয়। তাই গর্ভাবস্থায় বেল খাওয়া অত্যন্ত উপকারী।

বেলে থাকা পুষ্টি উপাদান

বেলে থাকা পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে আপনাদের জানা প্রয়োজন। এই পুষ্টি উপাদান গুলোই আমাদের স্বাস্থ্যকে বহু গুণে ভালো রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও এই পুষ্টি উপাদান গুলো আমাদের শরীরের নানা ভয়াবহ অসুখ রোধ করতে সহায়তা করে থাকে। তাই চলুন এতে থাকা পুষ্টি উপাদান গুলো দেখে আসি।

প্রতি একশ গ্রাম বেলে

শর্করা থাকে ২৮.১১-২.৬২ গ্রাম, ক্যারোটিন থাকে ৫৫ মিলিগ্রাম, থায়ামিন থাকে ০.১৩ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন থাকে ১.১ মিলিগ্রাম, টারটারিক অ্যাসিড থাকে ২.১১ মিলিগ্রাম, এসকার্বিক অ্যাসিড থাকে ৮-৬০ মিলিগ্রাম, পানি থাকে ৫৪.৯৬-৬১.৫ গ্রাম।

খালি পেটে বেল খাওয়ার উপকারিতা

খালি পেটে বেল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই পর্বে আমরা খালি পেটে বেল খেলে কি ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায় তা জানার চেষ্টা করব। বেল একটি উপকারী ফল। এই ফলটি শীতের শেষে এবং গ্রীষ্মের শুরুতে পাওয়া যায়। খালি পেটে বেল খাওয়ার উপকারিতা খালি পেটে বেল খাওয়ার উপকারিতা।

খালি পেটে বেল খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। কারণ এতে রয়েছে ফাইবার। যেটি এ ধরনের সমস্যা দূর করতে ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও খালি পেটে বেল খাওয়ার ফলে পেটে যাবতীয় অসুখ-বিসুখ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। যারা আমাশয় এবং ডায়রিয়া রোগে ভুগছেন। তারা নিয়মিত খালিপেটে বেল খাওয়ার চেষ্টা করুন। দেখবেন এই সমস্যা থেকে খুব দ্রুত মুক্তি পাবেন।

আরো পড়ুনঃ সফেদা ফলের ১৯টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানুন    

এই ফলটি খালি পেটে খাওয়ার ফলে খুব সহজে হজম হয়ে যায়। তাই যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত বেল খেতে পারেন। এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করবে। এছাড়াও বেল পাতার রস চোখের ছানি পড়া, চোখের জ্বালাপোড়া সমস্যা দূর করতে ভূমিকা পালন করে। এক কথায় বেলের সবকিছুই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

বেল খাওয়ার সঠিক সময়

বেল খাওয়ার সঠিক সময় সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এ পর্বে আমরা কোন সময় বেল খেলে এর যাবতীয় গুণাবলী গুলো সম্পূর্ণরূপে পাওয়া যায় তা আপনাদের জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। বেল একটি সুস্বাদু এবং উপকারী ফল। এ ফলটি খাওয়ার ফলে আমাদের দেহের নানা প্রকার রোগ বালাই থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তবে এই ফলটি যখন তখন খেলে এর সম্পূর্ণ গুনাগুন পাওয়া সম্ভব হয় না। তাই এটি নিয়ম মেনে খাওয়া অনেক বেশি জরুরী।

বেল-খাওয়ার-সঠিক-সময়
আপনি দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবারের মাঝামাঝি সময়ে বেল খেতে পারেন। এছাড়াও আপনি যখন কাজ করে অনেক ক্লান্ত হয়ে যাবেন তখন বেলের শরবত খেতে পারেন। এতে করে এনার্জি পাবেন। একটা কথা মাথায় রাখবেন বেল খাওয়ার পর একটা নির্দিষ্ট সময় পরেই ভারী খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এভাবে নিয়ম মেনে বেল খাওয়ার চেষ্টা করুন আশা করছি এর যথাযথ উপকারিতা গুলো পেয়ে যাবেন।

বেলে কি ভিটামিন থাকে

বেলে কি ভিটামিন থাকে এ সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্ব থেকে আমরা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব বেলে কোন ধরনের ভিটামিন থাকে সে সম্পর্কে। বেল একটি অত্যন্ত কার্যকরী ফল। যাতে নানা পুষ্টিগুণ রয়েছে। এ সকল পুষ্টিগুণ আমাদের দেহের যাবতীয় রোগ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।

বেল খাওয়ার ফলে আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় নানা ভিটামিন পেয়ে থাকে। এই ভিটামিন গুলো আমাদের শরীরের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে থাকে। বেলে থাকা ভিটামিন উপাদানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি ইত্যাদি। এগুলো ছাড়াও আরো পুষ্টি উপাদান বেলে রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি।

আরো পড়ুনঃ জাম্বুরার ১৮টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন  

এ সকল ভিটামিন এবং পুষ্টি উপাদান গুলো আমাদের দেহের নানা সমস্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও উপরের আলোচনাতে বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা এবং গর্ভাবস্থায় বেল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বেল শুট খাওয়ার নিয়ম

বেল শুট খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্ব থেকে আমরা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করব বেল শুট খাওয়ার ফলে কি ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায় এবং এটি কিভাবে খেলে ভালো হয় তা সম্পর্কে। সাধারণত কচি বেল নিয়ে তা যদি টুকরো করে কেটে রোদে শুকানো যায় তবে তাকে বেল শুট বলে। যাদের আলসারের সমস্যা রয়েছে।

তারা চাইলে এই শুট এর সাথে বার্লি মিশ্রিত করে রান্না করে প্রতিদিন খেতে পারেন। তবে তাদের আলসারের সমস্যা চিরতরে দূর হয়ে যাবে। এছাড়াও বেল শুট খাওয়ার খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং আমাশয় থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এছাড়াও এটি খাওয়ার ফলে ক্ষতিক সূর্যরশ্মির হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করা সম্ভব হয়। তাই আপনারা চাইলে বেলকে শুট করেও খেতে পারেন। এছাড়াও আপনারা যদি বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিতে চান। তবে উপরের আলোচনা থেকে জেনে আসতে পারেন।

বেলের শরবত তৈরির নিয়ম 

বেলের শরবত তৈরির নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের জেনে নেওয়া প্রয়োজন। খুব গরমে যখন আমরা কাজ করার ফলে অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে যাই। তখন এক গ্লাস বেলের শরবত খাওয়ার ফলে শরীর পুনরায় তাজা হয়ে ওঠে। তাই আজকে এই পর্বে আমি আপনাদের বেলের শরবত তৈরির পদ্ধতি বলে দিব। এজন্য প্রথমে আপনাকে পাকা বেল নিতে হবে।

বেলের-শরবত-তৈরির-নিয়ম
এরপর একটি পাত্রে পাকা বেল থেকে ভিতরের অংশগুলো গুলোকে বের করে রাখতে হবে। এরপর পাত্রে রাখা বেলের ভেতরের অংশগুলোকে পানি মিস করে নরম করে নিতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত নরম না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত পানি দিতে থাকবেন। এরপর ছাঁকনির মাধ্যমে বেলের রসগুলো আলাদা করে নিবেন। এবার এই বেলের রসে প্রয়োজনমতো চিনি এবং সামান্য লবণ দিয়ে মিস করবেন।

আর সর্বশেষ কিছু বরফের টুকরা মিস করে দিবেন। তাহলেই হয়ে গেল মজাদার বেলের রস। এভাবে ঘরে বসে খুব সহজেই আপনি বেলের শরবত তৈরি করতে পারেন। এছাড়াও উপরের আলোচনাতে বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা আপনাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

বেল খেলে কি ওজন বাড়ে

বেল খেলে কি ওজন বাড়ে এ সম্পর্কে আপনারা প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের এই পর্বে আমরা বেল খাওয়ার ফলে সত্যি কি ওজন বাড়ে না কমে তা ভালোভাবে জেনে নেব। বেল একটি স্বাস্থ্যসম্মত ফল। এ ফলটি খাওয়ার ফলে আমাদের দেহের নানা উপকার হয়ে থাকে। আমাদের শরীরের যখন ওজন অনেক বেড়ে যায়। তখন আমরা ঠিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারি না

 এসময় নিজেকে খুব অস্বস্তিকর মনে হয়। তাই এই সমস্যার সমাধান করার জন্য আপনারা বেলের শরবত খেতে পারেন। এতে ১৪০ ক্যালোরি থাকে। যা ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যথেষ্ট। তাই আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় বেল যুক্ত করতে পারেন।

এটি খাওয়ার ফলে শরীরের অস্বস্তিকর ওজন নিয়ে আর চিন্তিত হওয়ার প্রয়োজন পরবে না। এটি কার ফলে খুব সহজে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়াও উপরের আলোচনাতে বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। চাইলে জেনে আসতে পারেন।

লেখকের শেষ কথা

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে এসেছি। আমরা আরো জানতে সক্ষম হয়েছি গর্ভাবস্থায় বেল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কেও। বেল সাধারণত শীতের শেষের দিকে এবং গ্রীষ্মকালের শুরুতে পাওয়া যায়। গরমে যখন আমরা অনেক বেশি কাজ করার ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। তখন যদি আমরা এক গ্লাস বেলের ঠান্ডা শরবত খাই।

তবে আমরা মানসিকভাবে প্রশান্তি পাব। এছাড়াও বেলের হাজারো গুণাবলী রয়েছে যা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। উপরে আলোচনাতে বেলের যাবতীয় গুণাবলী সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি উপরের আলোচনাটি আপনারা যদি পড়ে থাকেন। তাহলে উপকৃত হতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url